✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-১৮, | ২০:৪৯:০৫ |অসাধারণ নৈপুণ্যে ধরে রেখে জুলাই মাসে আইসিসির নারী ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ নির্বাচিত হয়েছেন ইন্ডিজের অধিনায়ক হেইলি ম্যাথিউস। এর মধ্যে দিয়ে নিজের ক্রিকেট ক্যারিয়ারে পঞ্চমবারের মতো তিনি এই সম্মাননা অর্জন করলেন। ম্যাথিউস ছাড়াও ইংল্যান্ডের ন্যাট সিভার-ব্রান্ট এবং শ্রীলঙ্কার হার্ষিতা সামারাবিক্রমা এই পুরস্কার জয়ের দৌড়ে ছিলেন।
ম্যাথিউস আশা প্রকাশ করেন,তিনি দলের হয়ে ভালো পারফরম্যান্স অব্যাহত রাখতে পারবেন এবং আরও সাফল্য অর্জন করবেন। এই ক্রিকেটার বলেন, ‘আইসিসি 'প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারটি আবারও জিততে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আগের পুরস্কারগুলোর মতোই এটি আমার কাছে বিশেষ এক অর্জন। আমি আশা করি, এটি আমাকে আমার খেলার মান আরও উন্নত করতে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে অবদান রাখতে এবং ভবিষ্যতে এমন আরও পুরস্কার জিততে অনুপ্রাণিত করবে।
ক্যারিবিয় অধিনায়ক বলেন, নারী ক্রিকেটের জন্য এটি একটি দারুণ সময়। আগের চেয়ে এই খেলার প্রতি সমর্থকদের মনোযোগ ও আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। নিজের পারফরম্যান্সের মাধ্যমে এর বিকাশে অবদান রাখতে পেরে আমি গর্বিত এবং নারী ক্রিকেটের প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য আমি আইসিসিকে ধন্যবাদ জানাই।
জুলাই মাসে আয়ারল্যান্ড সফরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ম্যাথিউস দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেন। এই ক্রিকেটার তিন ম্যাচে মোট ২৬৫ রান করে দলকে ৩-০ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জয়ে সহায়তা করেন। সিরিজের প্রথম দুটি ওয়ানডেতেই ম্যাথিউস সেঞ্চুরি হাঁকান।
উদ্বোধনী ম্যাচে ব্যাট ও বল উভয় ক্ষেত্রেই এই অলরাউন্ডার নিজের ছাপ রাখেন। প্রথম ইনিংসে ৫২ রানে ৩ উইকেট শিকারের পর রান তাড়া করতে নেমে তিনি অপরাজিত ১৫৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন এবং রিয়ালিয়ানা গ্রিমন্ডের সঙ্গে রেকর্ড-গড়া জুটি গড়েন।
দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে তিনি দুর্দান্ত ফর্ম অব্যাহত রাখেন। ব্যাট হাতে ১০০ রান করার পাশাপাশি বল হাতেও ৩৪ রানে ২ উইকেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তৃতীয় ওয়ানডেতে ব্যাট হাতে মাত্র ছয় রান করতে পারলেও, বল হাতে ৩৭ রানে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাথিউস আবারও একজন অলরাউন্ডার হিসেবে নিজের গুরুত্ব প্রমাণ করেন। তিন ম্যাচ মিলিয়ে তিনি ১৩২.৫০ গড় ও ১১৭.২৫ স্ট্রাইক রেটে মোট ২৬৫ রান করেন এবং ১৭.৫৭ গড়ে সাতটি উইকেট শিকার করেন।