চলছে ফিফা বিশ্বকাপের ক্ষণগণনা। আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডাতে চলবে ৪৮ দলের ফুটবল যুদ্ধ। আর বাকি ৫৭ দিন। ফিফা প্রতিদিনের পরিসংখ্যানমূলক প্রতিবেদনের মাধ্যমে ক্ষণগণনা করছে।
১৯৬২ সালে চিলি বিশ্বকাপে ব্রাজিল তাদের ৫৫ শতাংশ খেলোয়াড়কে ব্যবহার করেছিল— কোনো বিশ্বকাপ জয়ী স্কোয়াডের সর্বনিম্ন।
দিদি, দালমা সান্তোস, গারিঞ্চা, গিলমার, মাউরো রামোস, নিল্টন সান্তোস, পেলে, ভাভা, জাগাল্লো, জিতো ও জোজিমো মেক্সিকোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের একাদশে ছিলেন। এরপর দলটিতে আইমোর মোরেইরা একটি পরিবর্তন আনেন। তাও বাধ্য হয়ে।
চেকোস্লোভাকিয়ার বিপক্ষে পেলে ইনজুরিতে পড়েন। আবার খেলার জন্য সময়মতো সুস্থ হতে পারেননি। ওইসময় বদলি খেলোয়াড় নামানোর নিয়ম ছিল না। চেকোস্লোভাকিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিল গোলশূন্য ড্র করে এবং পরে তৃতীয় ম্যাচে আমারিলদোকে একাদশে রাখা হয়। সেই চেকদের ফাইনালে হারিয়ে দ্বিতীয়বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল সেলেসাওরা।
ব্রাজিল ১৯৫৮ সালের সুইডেন ও ১৯৭০ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে ২২ খেলোয়াড়ের ১৬ জনকে (৭৩ শতাংশ) ব্যবহার করেছিল, ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ জন (৮২ শতাংশ), ২০০২ সালে কোরিয়া/জাপানে ২১ জন (৯১ শতাংশ) খেলায়। ২০০৬ সালে ইতালি ও ২০১৮ সালে ফ্রান্স ২৩ জনের মধ্যে ২১ জনকে ব্যবহার করেছিল, যা ২০২২ সালের বিশ্বকাপ পর্যন্ত যৌথ রেকর্ড ছিল। কাতারে আর্জেন্টিনা ২৬ খেলোয়াড়ের মধ্যে ২৪ জনকে (৯২ শতাংশ) খেলিয়ে সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় ব্যবহারের রেকর্ড গড়েছিল।
এ জাতীয় আরো খবর..