✕

সর্বশেষ :
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শনিবার খোলা থাকবে কিনা, যা জানা গেল শেষ মুহূর্তে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি, শুক্রবার বাজবে ঢাকের বাদ্য ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করে নতুন অধ্যাদেশ জারি পৃথক অভিযানে ভায়াগ্রা ও নিষিদ্ধ ক্রিমসহ কোটি টাকার পণ্য জব্দ উত্তরায় সড়ক ছাড়লেন শ্রমিকরা, যান চলাচল স্বাভাবিক কৃষি উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে আগ্রহী কানাডা বগুড়ায় শিক্ষককে পিটিয়ে আহত করা সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষক কৃষি খাত লাভজনক করতে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হবে: শিল্প সচিব

জুলাই-এপ্রিলে আরএমজি রপ্তানি ৩২.৬৪ বিলিয়ন ডলার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৫-১২, | ০৯:৪৩:২৭ |

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত দেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি ৩২.৬৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ দেশ ভিত্তিক রপ্তানি তথ্যে দেখা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। যেখানে ১৬ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা মোট রপ্তানির ৪৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ৬ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার, যা মোট রপ্তানির ১৯ দশমিক ০৯ শতাংশ। কানাডা এবং যুক্তরাজ্যও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রপ্তানি হয়েছে যার হার যথাক্রমে ১ দশমিক ০৫ বিলিয়ন এবং ৩ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ইপিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইইউ বাজারে ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ১৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ, কানাডায় ১৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং যুক্তরাজ্যে ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

ইইউ বাজারের মধ্যে, জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পোশাক আমদানিকারক দেশ হিসেবে স্থান ধরে রেখেছে, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪ দশমিক ০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

স্পেন এবং ফ্রান্স যথাক্রমে ২ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন এবং ১ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে।

নেদারল্যান্ডস এবং সুইডেনের বাজারে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে, যথাক্রমে ২২ দশমিক ৯ শতাংশ ও ১৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ, যার পরিমাণ ৫ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। এই বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানির অংশীদারিত্ব ১৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারত অপ্রচলিত বাজারের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ক্রেতা হিসেবে রয়েছে। এর মধ্যে ভারতীয় বাজারে প্রবৃদ্ধি ১৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং জাপানে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ।

খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, নিটওয়্যার খাতে ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং ওভেন খাতে ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

বিজিএমইএ’র সাবেক পরিচালক এবং বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ‘চলমান বৈশ্বিক বাণিজ্য সংঘাত বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করছে। অপ্রচলিত বাজারে আরও গুরুত্ব দেওয়া এখন সময়ের দাবি।’

-বাসস

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..