✕

সর্বশেষ :
শ্রীলঙ্কাকে ৩৭ রানে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে পাকিস্তানের শুভসূচনা দুর্বল পারফরম্যান্সের পরও নটিংহ্যাম ফরেস্টকে হারাল আর্সেনাল দুর্দান্ত সব গোলে সেভিয়াকে উড়িয়ে দিল রিয়াল মাদ্রিদ দুপুর দুইটায় পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেন বিদ্রোহীদের ঠেকাতে ফের একজোট সৌদি-আমিরাত, নতুন মোড় নিচ্ছে ইয়েমেন যুদ্ধ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ জালিয়াতি, পুতুলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট স্বপ্নের নারীর খোঁজে সর্বস্ব বিক্রি, ১,৯০০ কিমি গিয়ে জানলেন তিনি এআই ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ইয়ামির সিনেমা কৃষি ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে বাংলাদেশকে ৩৯০ কোটি টাকা অনুদান দেবে কানাডা

ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-১০-১৯, | ১১:২৮:১৪ |

রাজধানী ঢাকার ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী আধুনিকায়ন করা উদ্যান এবং এর প্রাঙ্গণে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।

প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ওসমানী উদ্যানের আধুনিকায়ন এবং এর প্রাঙ্গণে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ নির্মাণ করা হয়েছে। জুলাই শহীদ ও জুলাইয়ের বীর যোদ্ধাদের স্মরণে নির্মিত এই স্মৃতিস্তম্ভের মাধ্যমে দর্শনার্থীরা জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতি স্মরণ করার সুযোগ পাবেন।

পুলিশ হেডকোয়ার্টারের বিপরীত পাশে অবস্থিত ওসমানী উদ্যানের মূল ফটক দিয়ে প্রবেশ করলেই বাম পাশে চোখে পড়বে লেক। উদ্যানের মাঝখানে রয়েছে ফোয়ারা। এ ছাড়া দর্শনার্থীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে আধুনিক লাইব্রেরি, জিমনেশিয়াম ও ক্যাফেটেরিয়া।
 
লাইব্রেরির আগে বাম পাশ দিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামলে দেখা যাবে, আন্ডারগ্রাউন্ডে জাদুঘর নির্মাণের জন্য স্থান তৈরি করা হয়েছে।

উদ্যানের মাঝামাঝি স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ। স্মৃতিস্তম্ভের চারপাশ পাকা করা হয়েছে। মাঝখানে স্টিলের পাতের ওপর খোদাই করা হয়েছে জুলাই শহীদদের নাম। এ ছাড়া স্মৃতিস্তম্ভের রেলিংয়ের ভেতরের পাশে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন চিত্র স্থায়ীভাবে স্থাপন করা হয়েছে।

স্মৃতিস্তম্ভের ঠিক সামনে রয়েছে বেশ কয়েকটি প্রতীকী কবর। এসব কবরের পাশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে হাঁটার পথ বা ওয়াকওয়ে। পুরো স্থাপনাটি জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতি স্মরণ করার সুযোগ করে দেবে দর্শনার্থীদের।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান (মিল্টন)।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..