✕

সর্বশেষ :
দিনে ৮ ঘণ্টা এসি চালালে মাসে কত টাকা বিল আসবে? বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা, আইনি ঝুঁকিতে এয়ার ফ্রান্স আট মাসে চাকরি নিয়ে বিদেশ পাড়ি সাড়ে ৪ লাখ জনের টিকিট নিয়ে সতর্কবার্তা, যাত্রীরা যা করলে দায় নেবে না রেলওয়ে একাদশে ভর্তি নিয়ে নতুন নির্দেশনা তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ স্কুলে ভর্তি: শ্রেণিভেদে কোন বিষয়ে কত নম্বরের পরীক্ষা সোমবার দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে আসছে ৮০টি নতুন লোকোমোটিভ: রেলমন্ত্রী

১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সীমা ছাড়িয়ে যাবে পৃথিবী: জাতিসংঘ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-০২, | ১৪:০২:২০ |

পৃথিবী আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই প্যারিস চুক্তিতে নির্ধারিত বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বিপজ্জনক সীমা ছাড়িয়ে যাবে। জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি) প্রকাশিত নতুন এক প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কার্বন নিঃসরণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনলেও, প্রাক-শিল্প স্তরের চেয়ে তাপমাত্রা ১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। এর ফলে হিমবাহ, বরফস্তর ও তুষারপাতের ব্যাপক পরিবর্তনসহ ভয়াবহ জলবায়ু বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বিশ্ব। ২১০০ সালের মধ্যে হিমবাহগুলো তাদের এক-চতুর্থাংশ ভর হারাতে পারে। এতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৯ থেকে ১২.৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বাড়বে এবং বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দেবে। গত ২৬ আগস্ট হিমবাহ ধসে নেপাল ও তিব্বতে ভয়াবহ বন্যায় এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু তারই এক নির্মম উদাহরণ।

ইউএনইপি-র নির্বাহী পরিচালক ইনগার অ্যান্ডারসন সতর্ক করে বলেন, ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে গেলে কোনো ভালো পরিণতি নেই। চরম তাপপ্রবাহ এখনই বুঝিয়ে দিচ্ছে জলবায়ুর প্রভাব কতটা ভয়াবহ হতে পারে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও সাম্প্রতিক দাবদাহ ও বন্যাকে ভবিষ্যতের অশনিসংকেত আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।

তাপমাত্রা বাড়লে প্রবাল প্রাচীর ধ্বংস, দাবানল ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো অপরিবর্তনীয় ক্ষতি হবে। অ্যান্টার্কটিকা, গ্রিনল্যান্ডের বরফ বা আমাজনের মতো প্রাকৃতিক ব্যবস্থাগুলো চিরতরে বদলে যেতে পারে।

‘লিমিটিং ওভারশুট’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বিপর্যয় এড়াতে অবিলম্বে গ্রিনহাউস গ্যাস কমানোর পাশাপাশি বাতাস থেকে কার্বন সরিয়ে ফেলার (সিডিআর) কোনো বিকল্প নেই।

তবে ইউএনইপি হতাশা প্রকাশ করে জানিয়েছে, দেশগুলোর বর্তমান জলবায়ু প্রতিশ্রুতি মোটেও পর্যাপ্ত নয়। ২০৩০ সাল পর্যন্ত কার্বন নির্গমন কমার বদলে স্থির থাকার আশঙ্কা রয়েছে, যা প্যারিস চুক্তির লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যোজন যোজন দূরে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..