✕

সর্বশেষ :
দিনে ৮ ঘণ্টা এসি চালালে মাসে কত টাকা বিল আসবে? বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা, আইনি ঝুঁকিতে এয়ার ফ্রান্স আট মাসে চাকরি নিয়ে বিদেশ পাড়ি সাড়ে ৪ লাখ জনের টিকিট নিয়ে সতর্কবার্তা, যাত্রীরা যা করলে দায় নেবে না রেলওয়ে একাদশে ভর্তি নিয়ে নতুন নির্দেশনা তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ স্কুলে ভর্তি: শ্রেণিভেদে কোন বিষয়ে কত নম্বরের পরীক্ষা সোমবার দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে আসছে ৮০টি নতুন লোকোমোটিভ: রেলমন্ত্রী

যে শর্তে পারমাণবিক কর্মসূচিতে ছাড় দিতে চায় ইরান

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২৩, | ২১:২২:৫০ |

ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সমঝোতায় যেতে এবং কিছু ছাড় দিতে প্রস্তুত রয়েছে, তবে এর বিনিময়ে তেহরানেরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু শর্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ফোয়াদ ইজাদি।

কাতারভিত্তিক আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইজাদি বলেন, অতীতেও ইরান এ ধরনের সমঝোতায় সম্মত হয়েছিল এবং ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ।

তিনি বলেন, “ইরান ঠিক এ কাজটিই ২০১৫ সালে করেছিল।”

ইজাদির ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তির আওতায় ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখতে সম্মত হয়েছিল।

তার মতে, এই মাত্রায় পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, ওই চুক্তির অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ব্যাপক পরিদর্শন ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছিল, যাতে ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা যায়।

ফোয়াদ ইজাদি বলেন, পারমাণবিক ইস্যু এখনও আলোচনার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে এবং এ বিষয়ে ইরান নমনীয় অবস্থান নিতে প্রস্তুত। তার ভাষায়, “পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা সম্ভব। ইরান সেখানে ছাড় দিতে প্রস্তুত।”

তিনি বলেন, যদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূল উদ্বেগ হয় ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা, তাহলে সেই লক্ষ্য অর্জনের কাঠামো আগেই তৈরি হয়েছিল।

তবে ইজাদি স্পষ্ট করে বলেন, ইরানের পক্ষ থেকে যেকোনও পারমাণবিক ছাড়ের বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে হবে এবং জব্দ বা স্থগিত থাকা ইরানের সম্পদ মুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, “তেহরান এটাই প্রত্যাশা করছে।”

তার মতে, ইরানের জন্য এসব বিষয় কোনও গৌণ ইস্যু নয়; বরং যেকোনও সম্ভাব্য চুক্তির কেন্দ্রীয় অংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে তেহরান এখনও কূটনৈতিক সমাধানের পথ পুরোপুরি বন্ধ করেনি। তবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত না হলে নতুন কোনও সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হবে।

২০১৫ সালের ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি- যা জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) নামে পরিচিত- থেকে যুক্তরাষ্ট্র ২০১৮ সালে ট্রাম্প প্রশাসনের সময় বেরিয়ে যাওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক আবারও তীব্র উত্তেজনার মুখে পড়ে। এরপর থেকেই ইরান ধাপে ধাপে চুক্তির সীমাবদ্ধতাগুলো থেকে সরে আসতে শুরু করে।

বর্তমানে নতুন কোনও সমঝোতা নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা না থাকলেও উভয় পক্ষের বক্তব্যে কূটনৈতিক দরকষাকষির ইঙ্গিত ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সূত্র: আল-জাজিরা

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..