✕

সর্বশেষ :
দিনে ৮ ঘণ্টা এসি চালালে মাসে কত টাকা বিল আসবে? বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা, আইনি ঝুঁকিতে এয়ার ফ্রান্স আট মাসে চাকরি নিয়ে বিদেশ পাড়ি সাড়ে ৪ লাখ জনের টিকিট নিয়ে সতর্কবার্তা, যাত্রীরা যা করলে দায় নেবে না রেলওয়ে একাদশে ভর্তি নিয়ে নতুন নির্দেশনা তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ স্কুলে ভর্তি: শ্রেণিভেদে কোন বিষয়ে কত নম্বরের পরীক্ষা সোমবার দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে আসছে ৮০টি নতুন লোকোমোটিভ: রেলমন্ত্রী

ইরানি সামরিক সক্ষমতা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি পুরোটাই ‌‘ভুয়া’

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-১৩, | ২২:০১:৪৯ |
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সামরিক বাহিনীকে 'বিধ্বস্ত' করার দাবি করলেও গোয়েন্দা তথ্যে উঠে আসছে ভিন্ন চিত্র। নিউইয়র্ক টাইমসের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক সপ্তাহের মার্কিন নেতৃত্বাধীন হামলার পরও হরমুজ প্রণালির কৌশলগত অবস্থানে থাকা মিসাইল সাইটগুলোর ওপর তেহরান পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। 

গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ক্লাসিফাইড মূল্যায়ন অনুযায়ী, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের পাশে থাকা ৩৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির মধ্যে ৩০টিই এখন ইরানের সামরিক বাহিনীর ব্যবহারের উপযোগী।

পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তারা এবং খোদ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেখানে দাবি করেছিলেন, যৌথ অভিযানে ইরানকে 'অকার্যকর' করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে নতুন এই তথ্য মার্কিন প্রশাসনের প্রকাশ্য বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের আগের তুলনায় ইরানের হাতে এখনো প্রায় ৭০ শতাংশ মোবাইল মিসাইল লঞ্চার এবং বিপুল পরিমাণ ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ রয়ে গেছে। এমনকি দেশটির ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগারগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ এখন আংশিক বা পূর্ণাঙ্গভাবে সচল অবস্থায় রয়েছে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা।

বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালীর এই সরু পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই অঞ্চলে ইরানের সক্রিয় ক্ষেপণাস্ত্র উপস্থিতি আন্তর্জাতিক নৌ-পরিবহন এবং মার্কিন নৌ-সম্পদগুলোর জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেহরান বারবার এই জলপথকে কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের হুমকি দিয়ে আসছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকে অস্থিতিশীল করে তোলার সক্ষমতা রাখে।

এই সংঘাতের ফলে ওয়াশিংটনের সামরিক ব্যয় এবং সমরাস্ত্রের মজুদ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। জানা গেছে, অভিযানে ১০০০-এর বেশি টমাহক এবং বিপুল সংখ্যক প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যবহার করার ফলে মার্কিন অস্ত্রাগারে উল্লেখযোগ্য টান পড়েছে। মূলত চীন বা উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য ভবিষ্যতের কোনো সংঘাতের কথা মাথায় রেখে অস্ত্র মজুদ রক্ষার স্বার্থেই পেন্টাগন ইরানের অত্যন্ত সুরক্ষিত বা বাংকার সদৃশ ঘাঁটিগুলো পুরোপুরি ধ্বংস করা থেকে বিরত ছিল। তবে হোয়াইট হাউস এবং পেন্টাগন এখনো দাবি করে যাচ্ছে, তাদের অভিযান সফল এবং ইরানকে চরমভাবে দমন করা সম্ভব হয়েছে। বাস্তব পরিস্থিতি এখন কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।

সূত্র: গালফ নিউজ

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..