✕

সর্বশেষ :
দিনে ৮ ঘণ্টা এসি চালালে মাসে কত টাকা বিল আসবে? বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা, আইনি ঝুঁকিতে এয়ার ফ্রান্স আট মাসে চাকরি নিয়ে বিদেশ পাড়ি সাড়ে ৪ লাখ জনের টিকিট নিয়ে সতর্কবার্তা, যাত্রীরা যা করলে দায় নেবে না রেলওয়ে একাদশে ভর্তি নিয়ে নতুন নির্দেশনা তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ স্কুলে ভর্তি: শ্রেণিভেদে কোন বিষয়ে কত নম্বরের পরীক্ষা সোমবার দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে আসছে ৮০টি নতুন লোকোমোটিভ: রেলমন্ত্রী

হরমুজ সংকটে সমুদ্রের বদলে স্থলপথে ঝুঁকছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-০১, | ১৯:৫২:০১ |
হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে বিশ্ব বাণিজ্যের গতিপথে ব্যাপক পরিবর্তন আসছে। পণ্যবাহী কনটেইনার জাহাজগুলো এখন গন্তব্যে পৌঁছাতে সামুদ্রিক পথের বদলে স্থলপথ ব্যবহার করছে বলে জানিয়েছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি।

লজিস্টিকস এবং মেরিটাইম বা সামুদ্রিক সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে এএফপি জানায়, প্রণালীটিতে অবরোধের কারণে জাহাজ মালিকরা বাধ্য হয়ে ট্রাকের মাধ্যমে খাদ্যসামগ্রী এবং উৎপাদিত পণ্য সরবরাহের জন্য বিকল্প স্থল করিডোর খুঁজছেন। কারণ, তারা এখন আর সমুদ্রপথে উপসাগরীয় উপকূলীয় দেশগুলোতে পৌঁছাতে পারছেন না।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, লোহিত সাগরের সৌদি বন্দর 'জেদ্দা' এখন একটি নতুন আঞ্চলিক "হাব" বা কেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে। এমএসসি, সিএমএ সিজিএম, মায়েস্ক এবং কসকো এর মতো বৃহৎ সামুদ্রিক কোম্পানিগুলোর জাহাজ সুয়েজ খাল হয়ে এখন জেদ্দায় এসে ভিড়ছে।

পরবর্তীতে সেখান থেকে ট্রাকে করে মরুভূমির মহাসড়ক ধরে শারজাহ, বাহরাইন এবং কুয়েতের মতো জায়গাগুলোতে পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। গত দুই মাস ধরে এসব অঞ্চলে সমুদ্রপথে কোনো পণ্য পাঠানো সম্ভব হয়নি।

তবে এই আকস্মিক পরিবর্তনে নতুন সংকটও দেখা দিচ্ছে। ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার কোম্পানি 'ওভারসি' এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা আর্থার বারিল্যাস ডি দ্য বলেন, জেদ্দা বন্দর এত বিপুল পরিমাণ আমদানি ভলিউম সামলানোর মতো করে তৈরি নয়, যার ফলে বন্দরে তীব্র পণ্যজট পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।

এদিকে জাহাজ মালিকরা জানিয়েছেন, তারা হরমুজ প্রণালির বাইরে আরও তিনটি বন্দর ব্যবহার করবেন। এগুলো হলো ওমানের 'সোহার' এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের 'খোর ফাক্কান' ও 'ফুজাইরাহ' বন্দর। এছাড়া জর্ডানের আকাবা বন্দরটি ইরাকের বাগদাদ ও বসরায় পণ্য পাঠানোর প্রধান ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। পাশাপাশি তুরস্কের একটি করিডোর দিয়েও উত্তর ইরাকে পণ্য প্রবেশ করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..