ওমরাহ ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। ওমরাহর মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা গুনাহ মাফ করে দেন। রাসুল (সা.) ওমরাহর আমল করতে উৎসাহিত করেছেন। এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, তোমরা ধারাবাহিকভাবে হজ ও ওমরাহ আদায় করতে থাকো। এ দুটি আমল দারিদ্র্য ও গুনাহ বিদূরিত করে দেয়। যেমন—ভাটার আগুনে লোহা ও সোনা-রুপার ময়লা-জং দূরীভূত হয়ে থাকে। (তিরমিজি, হাদিস : ৮১০)
অন্য হাদিসে হজরত ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আল্লাহর পথে যুদ্ধে বিজয়ী, হজকারী ও ওমরাহকারী আল্লাহর মেহমান বা প্রতিনিধি। আল্লাহ তাদের আহ্বান করেছেন, তারা তার ডাকে সাড়া দিয়েছেন। আর তারা তার কাছে চেয়েছেন এবং তিনি তাদের দিয়েছেন। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২৮৯৩)
সাধারণত ওমরাহ পালনের জন্য নিজের দেশ থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে যান ওমরাহ পালনে ইচ্ছুক ব্যক্তি। কিন্তু কোনো যদি ওমরাহ পালনের ইচ্ছা ছাড়া সৌদি আরবে যায় এবং সেখানে মুসাফির হিসেবে অবস্থান করেন তাহলে তার জন্য ওমরাহ পালন করা বৈধ হবে কিনা?
এ বিষয়ে ফেকাহবিদদের মতামত হলো, মুসাফির অবস্থায় ওমরাহ করা সম্পূর্ণ জায়েজ। কেউ যদি নিজ দেশ থেকে ওমরাহর ইহরাম বেঁধে সৌদি আরব যান এবং সেখানে গিয়ে ওমরাহ পালন করেন, পাশাপাশি তার অন্য কাজগুলোও সম্পন্ন করেন, তবে তার এই ওমরাহ সঠিক বলে গণ্য হবে। ইনশাআল্লাহ তিনি ওমরাহর পূর্ণ সওয়াবও পাবেন।
শরিয়তের বিধান অনুসারে যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো প্রয়োজনেও সৌদি আরব সফরে যান এবং সেখানে ওমরাহ পালন করেন, তবে তার ওমরাহ সঠিকভাবে আদায় হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে মুসাফির হওয়ার কারণে ওমরাহ পালনে কোনো বাধা নেই।
এ জাতীয় আরো খবর..