সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

‘প্রজন্মকে শিক্ষা বিপর্যয়ের মুখে ফেলেছে করোনা’

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২০-০৮-০৪, | ১২:১৯:৫২ |
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্ব এক ‘প্রজন্মগত বিপর্যয়ের’ মুখে পড়েছে। শিক্ষার ইতিহাসে এটি সবচেয়ে বড় বিপর্যয়।

মঙ্গলবার করোনাকালে শিক্ষাক্ষেত্রে জাতিসংঘের কৌশল নির্ধারণ বিষয়ে ‘শিক্ষা ও কভিড ১৯’ শীর্ষক এক ভিডিও বার্তায় এ কথা বলেন তিনি। খবর পিটিআই ও মানিকন্ট্রোলের

জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস বলেন, করোনা মহামারির কারণে বিশ্বের ১৬০ কোটি শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনে বিপর্যয় নেমে এসেছে। করোনার প্রভাবে অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার হয়ে আগামী বছর অন্তত ২ কোটি ৩৮ লাখ শিশু-কিশোর শিক্ষাজীবন থেকে ঝরে পড়বে কিংবা স্কুলে যেতে পারবে না।

তিনি বলেন, শিক্ষাই হচ্ছে ব্যক্তিগত উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি আর সমাজের ভবিষ্যত। এবার শিক্ষার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহতম বিপর্যয় ঘটিয়েছে করোনা। শিক্ষার্থীদের নিরাপদে শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে নেওয়াই হবে এখনকার ‘অন্যতম শীর্ষ অগ্রাধিকার’।

গুতেরেস আরও বলেন, জুলাইয়ের মাঝামাঝি নাগাদ ১৬০টি দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এর কারণে প্রায় ১০০ কোটি শিশু শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ব্যাহত হয়েছে; অন্তত ৪ কোটি শিশুর জীবন থেকে প্রি-স্কুল হারিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, এখন আমরা মুখোমুখি হয়েছি এক প্রজন্মগত বিপর্যয়ের, যেটা না বলা মানবিক সম্ভাবনাকে নষ্ট করে দিতে পারে, কয়েক দশকের প্রগতিকে নস্যাৎ করে দিতে পারে এবং সমাজে প্রোথিত অসমতা পরিস্থিতিকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, কভিড-১৯ এর স্থানীয় সংক্রমণ যখনই নিয়ন্ত্রণে আসবে, তখনই যতটা নিরাপদে সম্ভব স্কুল শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে নেওয়া হবে অন্যতম প্রধান কাজ। এজন্য অভিভাবক, বাহক, শিক্ষক ও তরুণদের আলোচনা করা জরুরি।

দেশের বেশিরভাগ এলাকায় করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধির ফলে কিছু শিক্ষক ও অভিভাবকের বিরোধিতার মুখে স্কুল আবার চালু করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন জোরাজুরি করছেন, তখনই জাতিসংঘ মহাসচিবের এই সুপারিশ এল।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..