✕

সর্বশেষ :
পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শনিবার খোলা থাকবে কিনা, যা জানা গেল শেষ মুহূর্তে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি, শুক্রবার বাজবে ঢাকের বাদ্য ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করে নতুন অধ্যাদেশ জারি পৃথক অভিযানে ভায়াগ্রা ও নিষিদ্ধ ক্রিমসহ কোটি টাকার পণ্য জব্দ উত্তরায় সড়ক ছাড়লেন শ্রমিকরা, যান চলাচল স্বাভাবিক কৃষি উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে আগ্রহী কানাডা বগুড়ায় শিক্ষককে পিটিয়ে আহত করা সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষক কৃষি খাত লাভজনক করতে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি

এনআইডির ভুল জানুয়ারির আগেই সারতে বললো ইসি

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৪-১২-০৮, | ১১:৫৭:৫২ |

জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) ভুল থাকলে জানুয়ারির আগে তা সারতে বলেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রবিবার (৮ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম এ তথ্য জানান।

শরিফুল আলম জানান, আগামী ২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এ উপলক্ষ্যে যাদের এনআইডিতে ভুল আছে, তাদেরকে জরুরি ভিত্তিতে এই সময়ের আগেই সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে গিয়ে ভুল সংশোধন করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

জানা গেছে, ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ভোটার হয়েছিলেন ১১ কোটি ৯৩ লাখ ৩৩ হাজার ১৫৭ জন। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাদের নিয়েই করা হয়েছিল চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ছয় কোটি পাঁচ লাখ ৯২ হাজার ১৬৯ জন, আর নারী ভোটার পাঁচ কোটি ৮৭ লাখ ৪০ হাজার ১৪০ জন। হিজড়া ভোটার ছিল ৮৪৮ জন। অন্যদিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই মাস পর ২০২৪ সালের ২ মার্চ প্রকাশিত চূড়ান্ত হালনাগাদ শেষে ভোটার দাঁড়ায় ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১৬০ জন। এক্ষেত্রে ১ জানুয়ারি ২০২৪ সাল পর্যন্ত তথ্য নেওয়া হয়।

এই হিসেবে এক বছরে ভোটার বাড়ে ২৫ লাখ ১৭ হাজার তিনজন। অর্থাৎ বিরাট সংখ্যক ভোটার নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। নতুন নির্বাচন কমিশন বিশাল সংখ্যক তরুণ ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে চায়।

ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশের নাগরিকরা ১৮ বছর বয়স পূর্ণ করলেই ভোটার হতে পারেন। এজন্য বছরের যেকোনো সময়ই ভোটার হওয়া যায়। তবে নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদ করে প্রতি বছরের ২ মার্চ। তার আগে ২ জানুয়ারি খসড়া তালিকা প্রকাশ করে দাবি ও আপত্তি নেয়। সেগুলো নিষ্পত্তির পরই প্রকাশ করা হয় চূড়ান্ত তালিকা। আর এই তালিকার ভিত্তিতেই অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..