সর্বশেষ :
স্ত্রীকে আনতে গিয়ে নিখোঁজ, লেকের পাড়ে মিলল মরদেহ জাতীয় নেতাদের অবদান ভুললে ভবিষ্যৎ ইতিহাস ক্ষমা করবে না ইরানি স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান সিডনি সুইনি ঝড়ে ফের ঊর্ধ্বমুখী আমেরিকান ঈগলের শেয়ারদর মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ ও বাজার অস্থিরতায় ওয়াল স্ট্রিটের ব্যাংকগুলোর রেকর্ড মুনাফা জাপানে করপোরেট দেউলিয়াত্ব ১২ বছরের সর্বোচ্চ মার্চে যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি বেড়ে ১৬৪ বিলিয়ন ডলারে জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিক: বিশ্বজুড়ে পিসি বিক্রি বেড়েছে আড়াই শতাংশ জ্বালানি তেল রফতানিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর রেকর্ড ছোঁয়া অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র জিডিটি নিলামে দুগ্ধজাত পণ্যের দাম কমেছে ৩.৪%

মার্কিন সরকারের অচলাবস্থা অবসানে ঐকমত্য সিনেটে

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-১১-১০, | ০৫:৫৫:০২ |

অবশেষে ৪০ দিন পর মার্কিন সরকারের অচলাবস্থা অবসানে ভোট দিয়েছে সিনেটরা। সরকার অচলাবস্থা (শাটডাউন) সমাপ্তির লক্ষ্যে একটি অস্থায়ী অর্থায়ন বিল (স্টপগ্যাপ ফান্ডিং প্যাকেজ) এগিয়ে নেয়ার পক্ষে ভোট দেয়া হয়। এটি দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে চলা সরকার অচলাবস্থা শেষ করার পথে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রোববার অনুষ্ঠিত ভোটে আটজন ডেমোক্রেট দলীয় অবস্থান থেকে সরে গিয়ে রিপাবলিকানদের প্রস্তাবিত বিলের পক্ষে ভোট দেন। এই বিল অনুযায়ী, আগামী বছরের ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত সরকার পুনরায় চালু থাকবে। পাশাপাশি খাদ্য সহায়তা ও আইনসভা শাখাসহ সরকারের কিছু অংশে আগামী এক বছরের জন্য অর্থ বরাদ্দের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তবে ডেমোক্র্যাটদের অন্যতম প্রধান দাবি—‘অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট’ (এসিএ)-এর অধীনে স্বাস্থ্যবীমা ভর্তুকি—এই চুক্তিতে অব্যাহত রাখার নিশ্চয়তা দেয়া হয়নি। বরং রিপাবলিকান ও মধ্যপন্থী ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে হওয়া এই সমঝোতায় বলা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আগামী ডিসেম্বর মাসে আলাদা ভোট হবে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোটটি ৬০–৪০ ব্যবধানে পাস হয়। এটি আসলে একটি ক্লোচার ভোট—যার মাধ্যমে সিনেট সিদ্ধান্ত নেয় যে আলোচনাটি চালিয়ে যাওয়া হবে এবং শাটডাউন শেষ করতে প্রয়োজনীয় বিলগুলো পেশ ও অনুমোদন প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এই ভোটে ৬০ শতাংশ সমর্থন পাওয়া মানে পরবর্তী সব ভোট সহজ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় (সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠ) পাস করা যাবে। তাই এখন সিনেটে বিলটি পাস হওয়া অনেকটাই সহজ হয়ে গেছে।

তবে বিলটি কার্যকর হওয়ার আগে প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) অনুমোদন এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে আরও কয়েকদিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্লেষকরা।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..