✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-১০-১৪, | ১৪:১৯:২৪ |মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে একের পর এক হামলা ও সহিংসতার ঘটনায় পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাবে বিশ্ববাজারে আন্তর্জাতিক তেলের দাম এক লাফে অনেকটাই বেড়ে গেছে। ব্রেন্ট ক্রুড ওয়েলের দাম প্রতি ব্যারেলে প্রায় ১০৭ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে, যা গতকাল মঙ্গলবারও ০.৯ শতাংশ পর্যন্ত কমেছিল। একই সঙ্গে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রতি ব্যারেলে প্রায় ৯৫ ডলারে।
হরমুজ প্রণালিতে তেলের ট্যাংকারগুলোতে ইরানের ক্রমবর্ধমান হামলা এবং সৌদি আরবে হুতিদের নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণের ফলেই তেলের বাজার আবার অস্থির হয়ে উঠেছে। এসব ঘটনার পর বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও পারস্য উপসাগর থেকে ধীরে ধীরে জ্বালানি পরিবহন স্বাভাবিক হতে শুরু করেছিল কিন্তু সাম্প্রতিক এই হামলাগুলোর পর স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে যুদ্ধপূর্ববর্তী পরিস্থিতিতে ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়াটি কতটা ভঙ্গুর ও ঝুঁকিপূর্ণ।
সৌদি আরবের ভূখণ্ডে হুতিদের ধারাবাহিক হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান মিত্র রিয়াদকে সামরিক ও কূটনৈতিক সহায়তা বাড়াতে ওয়াশিংটনের ওপর চাপ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, সৌদি আরবে হুতিদের আক্রমণের জবাব দিতে তিনি তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সাহায্য চাইতে পারেন। ইরান-সমর্থিত বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির সাথে এই সংঘাত কমার কোনো লক্ষণ না থাকায় তুর্কি প্রেসিডেন্টকে সঙ্গে নিয়ে এই সংকটের সমাধান খোঁজার কথা সামনে আনেন ট্রাম্প। এর আগে গত সপ্তাহে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা রিয়াদ প্রধান বিমানবন্দরে হামলা চালায়। জবাবে ইয়েমেনি বিদ্রোহীদের কাছ থেকে হাতছাড়া হয়ে যাওয়া ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারে সৌদি-সমর্থিত সামরিক বাহিনী একটি বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে। ফলে এই সংঘাত আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে পড়া এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে নতুন হামলার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে