✕

সর্বশেষ :
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৩ নম্বরে ওঠার হাতছানি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাকচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১৮টি কোচের চালান পাঠাল ভারত, থাকছে যে সুবিধা হামলার ভয়ে সৌদি বিনিয়োগ সম্মেলন হাইব্রিড মডেলে করার ভাবনা ক্যান্সারসহ ৭ রোগে আর্থিক সহায়তা পেতে নতুন করে আবেদনের নির্দেশ শিকারিদের ফাঁদে হুমকিতে প্রকৃতির বন্ধু বক সৌদির শোধনাগারে হুতির হামলা, অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে ১০৭ ডলার সৌদি আরবের নিরাপত্তায় অবিচল সমর্থনের অঙ্গীকার পাকিস্তানের বেতনের বাইরে ইনফান্তিনো পেলেন ২১ কোটি টাকা, প্রকাশ করেনি ফিফা প্রথম প্রেস ব্রিফিংয়েই স্বামীর সঙ্গে ট্রাম্পকে গুলিয়ে ফেললেন নতুন মার্কিন প্রেস সচিব

কক্সবাজার বিমানবন্দরে বারবার চুরি, ঝুঁকিতে নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক ভাবমূর্তি

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-১০-১৪, | ১৪:০৭:৫৭ |
কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে নতুন করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বিমানবন্দরটির উদ্বোধন হতে পারে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। আগামী ২৬ অক্টোবর অডিট করতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক বেসামরকি বিমান চলাচল সংস্থা (আইকাও)। বৈশ্বিক ভাবমূর্তির জন্য এই ধাপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এর মধ্যেই সমুদ্রের লোনাপানি পর্যন্ত সম্প্রসারিত রানওয়েতে বসানো কোটি টাকা মূল্যের ‘ক্যাটাগরি-২ প্রিসিশন অ্যাপ্রোচ লাইটিং সিস্টেম’র বৈদ্যুতিক তারসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ চুরি হচ্ছে। এর আগেও বিমানবন্দরটিতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে সমুদ্রের দিকে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। সম্প্রসারিত এই রানওয়েতে অ্যাপ্রোচ লাইটিং সিস্টেম বসানো হয়েছে। কম দৃশ্যমানতা, কুয়াশা কিংবা প্রতিকূল আবহাওয়ায় উড়োজাহাজের নিরাপদ অবতরণের জন্য এ ব্যবস্থা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ব্যবস্থার বৈদ্যুতিক সংযোগ বা সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হলে উড়োজাহাজের অবতরণে পরিচালনাগত জটিলতা তৈরি হতে পারে। আর স্পর্শকাতর এই অবকাঠামোয় বারবার চুরির ঘটনা ঘটছে। এতে বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামের সুরক্ষা নিয়ে যেমন প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএএসসি) বৈঠকে এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

গত ৭ অক্টোবর বেবিচকের সদর দপ্তরে এনসিএএসসির ১৪তম সভায় জানানো হয়, কক্সবাজার বিমানবন্দরের পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালকের কাছ থেকে প্রায়ই সমুদ্রে স্থাপিত লাইটিং সিস্টেমের বৈদ্যুতিক তার ও গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ বারবার চুরির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। রানওয়ের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই লাইটিং সিস্টেমের মূল্যবান বৈদ্যুতিক তার ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের একটি উচ্চপর্যায়ের নথিতেও বিমানবন্দরের লাইটিং সিস্টেমের নিরাপত্তাঝুঁকির বিষয় উঠে এসেছে।

এ পরিস্থিতিতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সুপারিশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে পর্যটন মন্ত্রণালয়। চিঠিতে নৌপুলিশের মাধ্যমে জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেপিআই এলাকায় এ ধরনের যন্ত্রাংশ বা তার চুরির ঘটনা চরম নিরাপত্তা ঘাটতির প্রমাণ বহন করে। স্পষ্টকাতর এই বিষয়ে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নিলে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের বিমান নিরাপত্তার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এটি দেশের এভিয়েশন খাতের ভাবমূর্তি সংকটে ফেলতে পারে বলে জানান তারা।

বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমোডর মো. আসিফ ইকবাল বলেন, এনসিএএসসির সভায় এটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কক্সবাজার বিমানবন্দরের লাইটিং সিস্টেমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..