✕

সর্বশেষ :
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৩ নম্বরে ওঠার হাতছানি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাকচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১৮টি কোচের চালান পাঠাল ভারত, থাকছে যে সুবিধা হামলার ভয়ে সৌদি বিনিয়োগ সম্মেলন হাইব্রিড মডেলে করার ভাবনা ক্যান্সারসহ ৭ রোগে আর্থিক সহায়তা পেতে নতুন করে আবেদনের নির্দেশ শিকারিদের ফাঁদে হুমকিতে প্রকৃতির বন্ধু বক সৌদির শোধনাগারে হুতির হামলা, অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে ১০৭ ডলার সৌদি আরবের নিরাপত্তায় অবিচল সমর্থনের অঙ্গীকার পাকিস্তানের বেতনের বাইরে ইনফান্তিনো পেলেন ২১ কোটি টাকা, প্রকাশ করেনি ফিফা প্রথম প্রেস ব্রিফিংয়েই স্বামীর সঙ্গে ট্রাম্পকে গুলিয়ে ফেললেন নতুন মার্কিন প্রেস সচিব

বিশ্বে ৮০ কোটি তরুণ কর্মসংস্থানহীন ভবিষ্যতের মুখোমুখি: ইউএনডিপি

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-১০-১৪, | ১৩:৪৭:২৮ |
আগামী ১৫ বছরে উন্নয়নশীল দেশগুলোর শ্রমবাজারে প্রবেশ করতে যাওয়া প্রায় ৮০ কোটি তরুণ কর্মসংস্থানের সংকটে পড়বেন বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। সংস্থাটির প্রধান আলেকজান্ডার ডি ক্রু মঙ্গলবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান। এই সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে ইউএনডিপি দুটি নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বার্ষিক সভায় অংশ নিতে বর্তমানে ব্যাংককে অবস্থান করা আলেকজান্ডার ডি ক্রু নিউইয়র্কের প্রেস ব্রিফিংয়ে যুক্ত হয়ে বলেন, আগামী ১৫ বছরে ১২০ কোটি তরুণ শিক্ষাজীবন শেষ করে শ্রমবাজারে প্রবেশ করবে। কিন্তু তাদের মধ্যে মাত্র ৪০ কোটি তরুণের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকবে এবং বাকি ৮০ কোটি তরুণ চাকরি পাবেন না। এই বিপুল ব্যবধানের পেছনে মূলত বর্তমান প্রযুক্তিগত অবস্থা ও জনসংখ্যার প্রভাব রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই পরিস্থিতি একা বদলাবে না, বরং সঠিক নীতি প্রণয়নের মাধ্যমে এটি সমাধান করতে হবে বলে তিনি জোর দেন।

কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইউএনডিপির নেওয়া দুটি উদ্যোগ হলো 'ইনভেস্টমেন্ট অ্যাক্সিলারেটর' এবং 'জবস ফর প্রসপারিটি ফ্যাসিলিটি'। প্রথম উদ্যোগটি সরকারগুলোকে তাদের বিনিয়োগ নীতি ও আইনি কাঠামো উন্নত করতে এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। আর দ্বিতীয় উদ্যোগটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে এমন খাতগুলো চিহ্নিত করতে, নিয়োগকারীদের চাহিদার সঙ্গে দক্ষতার সমন্বয় ঘটাতে এবং বিনিয়োগের বাধাগুলো দূর করতে কাজ করবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) প্রভাব প্রসঙ্গে ডি ক্রু জানান, যথাযথ শ্রমনীতির মাধ্যমে এই চিত্র পরিবর্তন করা সম্ভব এবং এআইয়ের প্রসারের পরও কৃষি, পর্যটন ও সেবামূলক খাতগুলোতে এখনও অনেক কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ রয়েছে। এই উদ্যোগগুলোতে বিশ্বব্যাংক, ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক এবং ইউরোপীয় ব্যাংক ফর রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সহায়তা করছে, যার পাইলট প্রকল্প ইতিমধ্যে নেপাল, ইয়েমেন, হাইতি, লেবানন ও ঘানায় শুরু হয়েছে।

ডি ক্রু আরও সতর্ক করেন যে, বর্তমানে অনেক উন্নয়নশীল দেশ উচ্চ জ্বালানি ব্যয়, চরম ভাবাপন্ন এল নিনো এবং উচ্চ ঋণগ্রহণের ব্যয়ের মতো এক 'ত্রৈত ধাক্কার সম্মুখীন হচ্ছে। ইউএনডিপির একটি নতুন প্রতিবেদন অনুসারে, গড় উন্নয়নশীল দেশগুলো তাদের মোট সরকারি আয়ের ৯.৫ শতাংশই কেবল ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় করছে। এর ফলে ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের শিকার মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি ঘুরে দাঁড়ালেও এই স্থিতিশীলতা সব দেশের জন্য সমান নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..