✕

সর্বশেষ :
চীনের সঙ্গে ঋণ নয়, যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী দিনে ৮ ঘণ্টা এসি চালালে মাসে কত টাকা বিল আসবে? বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা, আইনি ঝুঁকিতে এয়ার ফ্রান্স আট মাসে চাকরি নিয়ে বিদেশ পাড়ি সাড়ে ৪ লাখ জনের টিকিট নিয়ে সতর্কবার্তা, যাত্রীরা যা করলে দায় নেবে না রেলওয়ে একাদশে ভর্তি নিয়ে নতুন নির্দেশনা তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ

বালু পাথরের টুকরোয় মিলল হাজার বছরের পুরোনো শহরের খোঁজ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-২৪, | ০১:০৪:৪৬ |

বালুর নিচে চাপা পড়ে থাকা এক রহস্যময় শহর, যার উল্লেখ রয়েছে হাজার বছরের পুরোনো ধর্মগ্রন্থে। এবার সেই হারানো শহরের রহস্যের জট খুলতে যাচ্ছে ৩ হাজার বছরের পুরোনো একটি বিশাল বালু পাথরের ব্লক।

সম্প্রতি মিসরের সিনাই উপদ্বীপের কাছাকাছি ‘তেল আবু সেইফি’ নামের একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানে পাথরটি পাওয়া গেছে। প্রত্নতত্ত্ববিদরা ধারণা করছেন, এই জায়গাটিই হতে পারে সেই হারিয়ে যাওয়া প্রাচীন শহর ‘মেসেন’। শহরটি সম্ভবত প্রাচীন ‘হোরাস মিলিটারি রোড’-এর কাছাকাছি অবস্থিত ছিল, যা মিসরকে পূর্ব ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করত। পণ্ডিতরা এই পথটিকে ওল্ড টেস্টামেন্টে (বাইবেল) উল্লেখিত সেই বিখ্যাত পথ হিসেবে মনে করছেন, যে পথ এড়িয়ে চলার জন্য ইসরায়েলীয়দের সতর্ক করা হয়েছিল।

উদ্ধার হওয়া বালু পাথরটি মাঝখান থেকে ভাঙা হলেও এর তিন দিকে মিসরের বিখ্যাত ফারাও শাসক দ্বিতীয় রামসেসের নাম খোদাই করা রয়েছে। আরেকটি শিলালিপিতে মিসরীয় দেবতা হোরাসকে মেসেন শহরের দেবতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা এই আবিষ্কারের একটি বড় সূত্র।

সেখানে খননকাজ চালিয়ে মাটির ইটের দেয়াল দিয়ে ঘেরা একটি বিশাল মন্দির ও দুর্গের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হওয়া দুটি পাকা পাথরের রাস্তাও মিলেছে। এই আবিষ্কারের ফলে প্রাচীন যুগে সৈন্য ও রসদ সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত মন্দির, দুর্গ ও প্রশাসনিক ভবনগুলোর নেটওয়ার্ক সম্পর্কে নতুন তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

যদিও শিলালিপিটিই চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, তবে কর্মকর্তারা বলছেন, এটি মেসেন শহরের অস্তিত্বের একটি জোরালো ঐতিহাসিক ভিত্তি। শহরটির সঠিক পরিচয় জানতে খনন ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..