✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-১৬, | ১৫:০৮:০৮ |কলম্বিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার পর এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতু।
রবিবার দেশটির উপকূলের কাছে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ১।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৫৫ কিলোমিটারের বেশি গভীরে। এ ঘটনায় কোনও সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনও হতাহত বা অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ১৫৫ দশমিক ১ কিলোমিটার গভীরে। এ ঘটনায় কোনও সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।
অন্যদিকে বার্তাসংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, রবিবার ভানুয়াতুর উপকূলের কাছে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের মাত্রা ৬ দশমিক ১ ছিল বলে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থাও (ইউএসজিএস) নিশ্চিত করেছে।
ইউএসজিএসের তথ্যানুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল উপকূলীয় ছোট শহর পোর্ট ওলরির প্রায় ৫৬ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং ভূপৃষ্ঠের ১৮৮ কিলোমিটার গভীরে।
এদিকে ভূমিকম্পের পরপরই কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ভানুয়াতুর প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগও তাৎক্ষণিকভাবে কোনও সুনামি সতর্কতা জারি করেনি।
প্রসঙ্গত, টেকটোনিক ‘রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত ভানুয়াতুতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অববাহিকা পর্যন্ত বিস্তৃত এই অঞ্চলে ভূমিকম্পের প্রবণতা বেশি।
ভানুয়াতুতে এ ভূমিকম্পের আগে কলম্বিয়া ও ইন্দোনেশিয়াতে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে।
এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়ায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে শনিবার ভোরে। এরপর কয়েকশ আফটারশক বা পরাঘাত অনুভূত হয়। এই ভূমিকম্পে বহু মানুষ নিহত হয়।
এর আগে গত সোমবার কলম্বিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে দেশটির কালি, পেরেইরা ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ভবন, সড়ক ও অন্যান্য অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রায় ৩০০ জনে পৌঁছেছে। নিখোঁজ রয়েছে শতাধিক মানুষ। আহত হয়েছে আরও প্রায় ৪ হাজার। ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে দেশটি। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি