✕

সর্বশেষ :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাকচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১৮টি কোচের চালান পাঠাল ভারত, থাকছে যে সুবিধা হামলার ভয়ে সৌদি বিনিয়োগ সম্মেলন হাইব্রিড মডেলে করার ভাবনা ক্যান্সারসহ ৭ রোগে আর্থিক সহায়তা পেতে নতুন করে আবেদনের নির্দেশ শিকারিদের ফাঁদে হুমকিতে প্রকৃতির বন্ধু বক সৌদির শোধনাগারে হুতির হামলা, অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে ১০৭ ডলার সৌদি আরবের নিরাপত্তায় অবিচল সমর্থনের অঙ্গীকার পাকিস্তানের বেতনের বাইরে ইনফান্তিনো পেলেন ২১ কোটি টাকা, প্রকাশ করেনি ফিফা প্রথম প্রেস ব্রিফিংয়েই স্বামীর সঙ্গে ট্রাম্পকে গুলিয়ে ফেললেন নতুন মার্কিন প্রেস সচিব তিন দেশ থেকে ৯৬৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন

কৃত্রিম পা সংযোজন ও মুখে প্লাস্টিক সার্জারির প্রয়োজন মোজতবা খামেনির

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-২৪, | ১৭:৫১:৩৩ |
বোমা হামলা থেকে বেঁচে ফেরার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন এবং তাকে একটি কৃত্রিম পা সংযোজন ও মুখের প্লাস্টিক সার্জারির জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে বলে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।

প্রতিবেদন অনুসারে, মানসিকভাবে খামেনি এখনও যোগাযোগ বুঝতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। কিন্তু তার হাতে ইতোমধ্যে একটি অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং মুখমণ্ডল গুরুতরভাবে পুড়ে যাওয়ায় তাকে আরও অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
 
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত চারজন কর্মকর্তা নিউইয়র্ক টাইমসকে খামেনির শারীরিক অবস্থার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাদের দাবি, যুদ্ধ অবসানের আলোচনা চলাকালে ইরানি জেনারেলদের সঙ্গে দেশটির সর্বোচ্চ নেতার খুব কমই যোগাযোগ হয়েছে।
 
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনটি প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের মার্চ মাসের মূল্যায়নকে সমর্থন করে, যেখানে তিনি মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় খামেনির গুরুতর আহত হওয়ার কথা বলেছিলেন।
 
মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় তার পিতা ও স্ত্রীর মৃত্যুর পর, সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কনিষ্ঠ পুত্র মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হন। 
 
 
তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক-বিষয়ক ‘থিংক ট্যাংক’ চ্যাথাম হাউসের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলের পরিচালক সানাম ভাকিল নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেছেন, ‘মোজতবার এখনো সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব বা নিয়ন্ত্রণ নেই।’
 
সানাম ভাকিলের ভাষ্য, সম্ভবত তার (মোজতবা খামেনি) প্রতি এক ধরনের সম্মান রয়েছে। তিনি অনুমোদন দেন অথবা আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার অংশ থাকেন। কিন্তু এখন তার সামনে সম্পন্ন হয়ে যাওয়া বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।
 
দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের তথ্যানুসারে, সব চিঠিপত্র আদান-প্রদান সর্বোচ্চ নেতার ঠিকানায় হাতে হাতে সিলমোহর করা চিঠি হস্তান্তরের মাধ্যমে শুরু হয় এবং একই পদ্ধতিতে তা ফেরত পাঠানো হয়।
 
সিদ্ধান্ত গ্রহণে খামেনির ভূমিকা রয়েছে বলেই জানিয়ে আসছেন ইরানি কর্মকর্তারা।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..