বলিউডের ঝলমলে দুনিয়ায় সুযোগ যেমন হঠাৎ আসে, তেমনই অনেক সময় আচমকাই হাতছাড়া হয়ে যায় বড় বড় কাজ। কথাবার্তা চূড়ান্ত হওয়ার পরেও রাতারাতি ছবি থেকে বাদ পড়ার ঘটনা এই ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন কিছু নয়। নানা কারণে বহু তারকাকেই এমন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে, আর সেই তালিকায় রয়েছেন একাধিক প্রথম সারির অভিনেত্রীও।
এই তালিকার শুরুতেই রয়েছে শ্রদ্ধা কাপুর-এর নাম। একটি ক্রীড়াভিত্তিক ছবির জন্য প্রথমে তাকেই ভাবা হলেও শেষ পর্যন্ত সেই চরিত্রে দেখা যায় অন্য অভিনেত্রীকে। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের খবর, সিদ্ধান্ত বদলের ফলে হঠাৎই এই পরিবর্তন ঘটে।
একই রকম অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। একটি জনপ্রিয় রোম্যান্টিক ছবিতে অভিনয়ের কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তাকে বাদ দেওয়া হয়। পরে সেই জায়গায় দেখা যায় রানি মুখোপাধ্যায়কে। শোনা যায়, ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও ইন্ডাস্ট্রির অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনই এই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছিল।
এই তালিকায় রয়েছেন কারিনা কাপুর খানও। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে একটি বড় ছবিতে কাজ করার কথা থাকলেও মতের অমিলের জেরে শেষ মুহূর্তে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরিবর্তে সেই ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পান অন্য এক নবাগত অভিনেত্রী, যা পরবর্তীতে তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
শুধু অভিনেত্রীরাই নন, পুরুষ অভিনেতারাও এমন ঘটনার শিকার হয়েছেন। যেমন সুশান্ত সিং রাজপুত একটি জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয়ের জন্য প্রস্তাব পেয়েও শেষ পর্যন্ত সময়ের অভাবে তা করতে পারেননি। পরে সেই চরিত্রে দেখা যায় অন্য অভিনেতাকে।
আবার সোনু সুদ-এর ক্ষেত্রেও মতের অমিলের কারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হাতছাড়া হওয়ার কথা শোনা যায়। পরিচালকের সঙ্গে সৃজনশীল মতপার্থক্যই নাকি এর মূল কারণ ছিল।
সব মিলিয়ে, বলিউডে ছবি থেকে বাদ পড়ার পিছনে একাধিক কারণ কাজ করে কখনও ব্যক্তিগত সম্পর্ক, কখনও সময়ের অভাব, আবার কখনও সৃজনশীল মতভেদ। ঝলমলে পর্দার আড়ালে এই অদৃশ্য লড়াইগুলোই যেন ইন্ডাস্ট্রির বাস্তব চিত্র তুলে ধরে, যেখানে সুযোগ যেমন অনিশ্চিত, তেমনই টিকে থাকাও এক বড় চ্যালেঞ্জ।
এ জাতীয় আরো খবর..