সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

অভিযানে রিকশা ভাঙার ক্ষতিপূরণ দেবেন ডিএনসিসি প্রশাসক

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৫-১৩, | ১১:৫৭:১১ |

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) যৌথ অভিযানে মূলসড়কে চলাচলরত আনুমানিক ৩০টি ব্যাটারিচালিত রিকশা জব্দ করা হয় হয়েছে। পাশাপাশি তিনটি রিকশা ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ মে ) রাজধানীর আসাদগেট এলাকায় ডিএমপি ও ডিএনসিসি যৌথভাবে ব্যাটারিচালিত অবৈধ রিকশার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে। সেখানে রিকশা ভেঙে দেওয়া এবং রিকশাচালকদের কান্নার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এটি নিয়ে অনেকেই সমালোচনা শুরু করেন। এরই প্রেক্ষিতে ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেছেন, আজকে যে তিনজনের রিকশা ভাঙা হয়েছে তাদেরকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৩ মে) রাত ১১টা ১১ মিনিটে ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্ট করে বিষয়টি জানিয়েছেন।

সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আজকে যে তিনজনের রিকশা ভাঙা হয়েছে তাদেরকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। মেইন রোডে না আসার জন্য তিনটি রিকশা ভাঙা হয়েছিল। আমরা পরিবারগুলোকে আয়ের বিকল্প ব্যবস্থা করার জন্য উদ্যোগ নিচ্ছি।’

এর আগে রাজধানীর আসাদগেট এলাকায় ডিএমপি ও ডিএনসিসি যৌথভাবে ব্যাটারিচালিত অবৈধ রিকশার বিরুদ্ধে অভিযানে অংশ নিয়ে ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, ব্যাটারিচালিত অবৈধ রিকশাগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ডেসকোর সহায়তায় এসব রিকশার চার্জিং পয়েন্ট ও উৎপাদনের ওয়ার্কশপগুলো বন্ধ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকার মূলসড়কে কোনো রিকশা চলাচল করতে পারবে না। রিকশা চলাচল করবে অভ্যন্তরের সড়কে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে ২০ শতাংশ দুর্ঘটনা এই ব্যাটারিচালিত রিকশার কারণে হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শহরের নারী ও শিশুরা। এগুলো কোনো নীতিমালা বা যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়নি। প্রায়ই দেখা যায় পথচারীদের ওপর উঠে যাচ্ছে, অনিয়ন্ত্রিত গতির কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..