✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

ভালো ফলন, লাভ বেশি, বাড়ছে সরিষা চাষ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০১-০৭, | ০৯:০১:১৯ |

লাভজনক হওয়ায় দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে সরিষার আবাদ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবারো ভালো ফলনের আশা চাষিদের। এদিকে, আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে ভোজ্যতেলের চাহিদা মেটাতে সরিষা চাষে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস কৃষি বিভাগের।

এখানকার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ যেন হলুদ চাদরে মোড়ানো। হালকা বাতাসেই দোল খাচ্ছে সরিষা ফুল। লাভজনক হওয়ায় এলাকায় বাড়ছে সরিষা চাষ।

আমন ধানের পর ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস থাকে বিরতি। এরপর আবারও এ মাঠে শুরু হয় ইরি-বোরো চাষ। আর এ দুই-তিন মাস জমিতে সরিষা আবাদ করছেন কৃষক। কয়েক বছর ধরে চাহিদা অনুযায়ী মিলছে কাঙ্ক্ষিত ফল।

চলতি মৌসুমে আবহাওয়া ভালো থাকায় এবারও সরিষার বাম্পার ফলনের আশা কৃষকের। তারা বলেন, আমন ধান কাটার পর নতুন ফসল চাষের আগে জমি খালি পড়ে থাকলেও এখন সরিষা চাষ করা হচ্ছে। বাজারে দাম ভালো হওয়ায় লাভও হচ্ছে। এতে দিন দিন সরিষা আবাদে চাষিদের আগ্রহ বাড়ছে।

হাকিমপুর জেলার জালালপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল মতিন বলেন, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি আমন ধান কাটা ও মাড়াই শেষ হওয়ার পরে ইরি-বোরো ধান লাগানোর জন্য অপেক্ষা করতে হয় দুই থেকে আড়াই মাস পর্যন্ত। এসময় জমিগুলো ফেলে না রেখে সরিষা আবাদ করেছি বাড়তি ফসল হিসেবে।

আরেক কৃষক আমেনা বেগম বলেন, ১০ কাঠা জমিতে সরিষা লাগিয়েছি। এই সরিষা থেকে উৎপাদিত তেল ঘরে ব্যবহার করব, বাড়তি সরিষা বিক্রি করব। সরিষার গাছ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হবে, তাছাড়া অতিরিক্ত টাকা দিয়ে ইরি ধান রোপণ করব।

কৃষক মোহাম্মদ আলী বলেন, আমাদের এলাকার অধিকাংশ জমিতে দুই ফসল উৎপাদন হতো। বর্তমানে তিন ফসল হচ্ছে। যেই জমিতে সরিষা চাষ হয়, সে জমিতে পরবর্তীতে যে কোন ফসল ভালো হয়।

এদিকে, আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে সরিষা আবাদ বাড়াতে সব ধরনের সহযোগিতার কথা জানায় স্থানীয় কৃষি বিভাগ। দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছাম্মদ আরজেনা বেগম বলেন, চলতি অর্থবছরে ২ হাজার জন কৃষকের মাঝে সরিষার বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া পরামর্শসহ যে কোনো সহযোগিতায় কৃষি বিভাগ কৃষকের পাশে আছে।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি রবি মৌসুমে হাকিমপুর উপজেলায় ২ হাজার ৬২৬ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..