সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

কানাডায় বাবা-মা নিয়ে স্থায়ী হওয়ার সুবিধা বন্ধ, বিপাকে বাংলাদেশিরা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০১-০৫, | ১১:১২:০৬ |

কানাডায় বাবা-মা নিয়ে স্থায়ী হওয়ার সুবিধা বন্ধ করেছে দেশটির অভিবাসন, উদ্বাস্তু ও নাগরিকত্ব বিষয়ক বিভাগ আইআরসিসি। প্যারেন্ট অ্যান্ড গ্রান্ডপ্যারেন্টস স্পন্সরশিপের (পিজিপি) আওতায় নতুন বছরে আর কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। এতে বিপাকে পড়েছেন বাংলাদেশি প্রবাসীরা।

আইআরসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৪ সালে যারা পিজিপির আবেদন করেছিলেন, নতুন বছরে শুধু সেসব আবেদনপত্র নিয়ে কাজ চলছে। তবে কেউ চাইলে দেশটির সুপার ভিসা সুবিধার আওতায় নিজের নিকটাত্মীয়দের কানাডা বসবাসের সুযোগ করে দিতে পারবেন। এ ভিসার আওতায় তারা এক নাগাড়ে পাঁচ বছর কানাডায় থাকার সুযোগ পাবেন।

অভিবাসীর সংখ্যা কমাতে চলতি বছর আইআরসিসি ২০ শতাংশ পিআর সুবিধা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে বছরের শুরুতেই প্রভাব পড়েছে পিজিপি প্রোগ্রামের ওপর। আগের আবেদনের ভিত্তিতে পিজিপি প্রোগামে এ বছর সাড়ে ২৪ হাজার মানুষকে কানাডায় স্থায়ীকরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে আইআরসিসি।

অভিবাসনে কড়াকড়ি: বিগত বছরগুলোতে কানাডা অভিবাসন নীতিতে উদার থাকলেও, সম্প্রতি দেশটির প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো জানিয়েছেন, বর্তমানে কানাডা অভিবাসীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমাতে চায়।

টরন্টোভিত্তিক বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, অভিবাসনের ব্যাপারে কঠোর নীতির ফলে ২০২৫ সালে পিআর প্রোগ্রামের বাইরে কানাডায় বসবাসকারী অস্থায়ী ১২ লাখ বিদেশি দেশত্যাগে বাধ্য হতে পারেন।

এখন থেকে প্রতি বছরই পিআর সুবিধা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইআরসিসি। অতীতে প্রায় প্রতি বছর পাঁচ লাখ পিআর দিলেও চলতি বছর থেকে তিন লাখ ৯৫ হাজার অভিবাসীকে পিআর দেওয়া নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

তারা আরও জানিয়েছে, আগামী বছর এই সংখ্যা কমিয়ে তিন লাখ ৮০ হাজার এবং ২০২৭ সালে আরও কমিয়ে তিন লাখ ৬৫ হাজার নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি বছর ৯৪ হাজার ৫০০ পারিবারিক ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে। এর মধ্যে ৭০ হাজার ভিসা পাবে স্থায়ীভাবে দেশটিতে বসবাসকারীদের স্ত্রী-সন্তানরা।

ট্রুডো সরকার কানাডার জনসংখ্যা বৃদ্ধি থামানোর প্রয়াস হিসেবে এই নীতি গ্রহণ করেছে।

বিপাকে বাংলাদেশিরা: ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসিন্দা প্রসেনজিৎ দাশ জয় পাঁচ বছর ধরে কানাডার একটি রেস্তোরাঁয় কাজ করছেন। নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, পিআর পেতে সরকার নির্ধারিত নির্দিষ্ট পয়েন্ট অর্জন করতে হয়, যার মান সম্প্রতি বাড়ানো হয়েছে। এতে যেসব বাংলাদেশি পিআর ছাড়া কানাডায় বাস করছেন, তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত কানাডায় প্রায় এক দশক ধরে ব্যবসা করছেন সালাহউদ্দিন বাচ্চু। তিনি জানান, তার কানাডা যাওয়ার প্রথম দিকে চাইলে নিজ খরচে স্ত্রী-সন্তান ও বাবা-মাকে নিয়ে আসা যেত। দিন দিন এই অবস্থা কঠিন হয়েছে। প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ পিজিপির আবেদন করছেন আর সুযোগ পাচ্ছেন লটারিতে নাম ওঠা হাতেগোনা কয়েকজন।

কানাডার অটোয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটিতে এক লাখের বেশি বাংলাদেশি স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। সর্বশেষ গত দুই দশকে কানাডায় বাংলাদেশির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।হয়ে পড়েছে।


শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..