✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

কর বাড়লেও মনে হয় না মানুষের কষ্ট হবে: অর্থ উপদেষ্টা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০১-০২, | ০৯:৫৭:৪৪ |
বিভিন্ন পণ্য ও সেবায় সরকার ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) বাড়ানোর যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে জিনিসপত্রের দামে তেমন প্রভাব পড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। সরকারের এ সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের কষ্ট হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মনে হয় না কষ্ট হবে।’
বৃহস্পতিবার (২  জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন অর্থ উপদেষ্টা
এ নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘অত্যাবশ্যকীয় সব পণ্যের শুল্ক কমিয়ে জিরো (শূন্য) করে দেওয়া হয়েছে। আপনারা সেই ছাড়টা দেখবেন।’
আগের দিন বুধবার ৪৩টি পণ্য ও সেবায় মূল্য সংযোজন কর বা মূসক বা ভ্যাট বাড়ানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। একইসঙ্গে আরও কিছু পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে সম্পূরক ও আবগারি শুল্ক বৃদ্ধিরও উদ্যোগ নেওয়া হয়। এতে জিনিসপত্রের দাম ও জীবনযাত্রার খরচ বাড়বে কিনা জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘পৃথিবীর কোনো দেশেই, এমনকি নেপাল ও ভুটানেও বাংলাদেশের মতো এত কম কর (ট্যাক্স) নেই। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ক্ষেত্রে আমরা সব সময় বলেছি, সেখানে আমরা প্রায় জিরো করে নিয়ে আসব।’
আইএমএফের পরামর্শে এটি করা হচ্ছে কিনা এই প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘না, সবদিক চিন্তাভাবনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
অর্থ উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের মূল্যস্ফীতির মূল ওয়েটের ইন্ডিকেটরগুলো হলো চাল, ডাল এগুলো। আমরা যেসব জিনিসের ওপর কর বাড়াচ্ছি, এগুলো মূল্যস্ফীতি বাড়ানোর ক্ষেত্রে খুবই কম গুরুত্বপূর্ণ।’
কেন এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এটা করার কারণটা হলো, যে ছাড় দিয়েছি, সেটা হিসাব করে…কয়েক হাজার কোটি টাকা ছাড় দেওয়া হয়েছে। আর আমাদের রাজস্বঘাটতি এত বেশি, আমি তো আর বড় করে ঘাটতি অর্থায়ন (ডেফিসিট ফাইন্যান্সিং) করে এগোতে পারব না।’

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..