সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

গুলশান সমগ্র দেশের চিত্র নয় : একান্ত সাক্ষাৎকারে এআইপি চেয়ারম্যান রাটানা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০১৯-১১-২৫, | ১৪:৪১:১৬ |

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে প্রতিবছর বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ২১,০০০ লোক মারা যায়। অন্যদিকে বাংলাদেশ যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়- বাংলাদেশে কেবল গত ঈদযাত্রায় প্রাণ হারিয়েছেন ২২১ জন, আহত হয়েছেন আরও ৬৬৪ জন। মাল্টিনিউজটোয়েন্টিফোর.কম এর বার্তা সম্পাদক তারিক চয়নকে দেয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে এশিয়া ইনজুরি প্রিভেনশন ফাউন্ডেশন (এআইপি) ডেনমার্ক এবং থাইল্যান্ডের চেয়ারম্যান রাটানাওয়াদি উইনথার এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। রাটানার আরেকটি পরিচয় তিনি বাংলাদেশে ডেনমার্কের সাবেক রাষ্ট্রদূত মাইকেল হেমনিটি উইনথার এর স্ত্রী।

# বিশ্বজুড়ে সড়ক দুর্ঘটনার বর্তমান হাল কি?
—আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার পরও ২০১৮ সালে ১৩ লাখ মানুষ মারা গেছেন!

# আপনি কি জানেন গত ঈদযাত্রায় বাংলাদেশে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ২২১ জন, আহত হয়েছেন আরও ৬৬৪ জন?
—শুনে খারাপ লাগছে। কিন্তু মোটেও অবাক হইনি। আমি গতবছর বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন স্বচক্ষে দেখেছিলাম।

# আপনারাতো বিশ্বের অনেক দেশে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছেন। সংশ্লিষ্ট সরকারগুলো থেকে কেমন সাহায্য পাচ্ছেন?
—বেশ ভালো। আমরা অনেকটা এনজিও এর মতো। কি করা উচিত এবং কি করা উচিত নয় আমরা সেসব বিষয়ে পরামর্শ দেই। আর সাধারণ মানুষেরও ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছি।

# বাংলাদেশে ঈদ এবং বিশেষ দিনগুলোতে সড়কে পর্যাপ্ত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োগের কথা বলা হলেও দুর্ঘটনা ঠেকানো যাচ্ছে না…
—শুধু বিশেষ দিন কেন! আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বছরজুড়ে নিয়মিত কাজ করে যেতে হবে। স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর উপর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে- আইনের প্রয়োগ যতোই কঠোর হোক, তা নিয়মিত না হলে কোন কাজে আসে না।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..