✕

সর্বশেষ :
পুনের ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়ে মাসে ৪.৬৩ লাখ রুপি পাবেন রণবীর মুক্তির আগেই টিকিট বিক্রি ছাড়িয়েছে ১ কোটি , বাম্পার ওপেনিংয়ের অপেক্ষায় ‘দেশু ৭ দুর্গার সাজে পরীমনি, চোখ ফেরানো দায়! (ভিডিও) বিশ্বের ৫০ দেশের সুপারস্টারদের তালিকায় শাকিব খান মাদক অভিযানে পিস্তল হাতে ইশরাক, আইনের ব্যত্যয় হলে ‘ব্যবস্থা নেবে পুলিশ’ তিন বর্ষের সিলেবাসে হবে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা আশুগঞ্জে ‘বিদ্যুৎস্পৃষ্টে’ যুবকের মৃত্যু ইরানের কাছ থেকে যাচাইযোগ্য অঙ্গীকার চায় যুক্তরাষ্ট্র: ভ্যান্স সংসদ সদস্যদের মনোনীত প্রকল্পে ৩২৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দিল স্থানীয় সরকার বিভাগ শাহজালাল বিমানবন্দরে ৭ দিনে ১১ অভিযান, স্বর্ণ-সিগারেটসহ নানা পণ্য জব্দ

সমতার ভিত্তিতে বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-১০-১৮, | ১৩:৩২:২১ |

পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রতিরক্ষা সময়োপযোগী করতে ও সেনাবাহিনীর আধুনিকীকরণে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

আজ রোববার সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। 

অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে নিজের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে তিনি সেনা পরিবেশেই বেড়ে উঠেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবেই আজ সশস্ত্র বাহিনীর হাতে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে- যাতে সকলে নিষ্ঠা ও একাগ্রতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। পতাকার মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা প্রতিটি সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। 

সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক অবদান তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, বিভিন্ন সময়ে এই বাহিনীর সুনাম ও পেশাদার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। অথচ বাংলাদেশের জন্ম-ইতিহাসের সঙ্গে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ১৯৭১ সালের উত্তাল মুহূর্তে ‘উই রিভোল্ট’ উচ্চারণের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সৈনিকদের ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তিনি ২৬ মার্চ স্বাধীনতার প্রথম ঘোষণা দেন এবং পরবর্তীতে ২৭ মার্চ পুনরায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা পাঠ করেন। দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় জনগণ সবসময় সশস্ত্র বাহিনীর যেকোনো গৌরব ও সাফল্যকে গোটা বাংলাদেশের সাফল্য হিসেবেই গণ্য করে।

বর্তমান পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনীতি ও সামরিক প্রেক্ষাপট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা পরিবেশ ও যুদ্ধের ধরন প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। সময়ের এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিতে এবং একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে।

পাশাপাশি দেশের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে অভ্যন্তরীণভাবেই প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের জোরদার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রত্যাশা অনুযায়ী ‘ওয়ান র‍্যাংক, ওয়ান পেনশন’ নীতি বাস্তবায়নের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

বক্তব্যের শেষাংশে তারেক রহমান বলেন, জাতীয় আত্মমর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস না করে বাংলাদেশ। বিশ্বমঞ্চে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে সব বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক সুদৃঢ় রাখবে।

এর আগে সকাল সোয়া ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রী গুলশানের নিজ বাড়ি থেকে সাভার সেনানিবাসে পৌঁছান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান।

সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল। এ সময় তিনি উপস্থিত সেনাদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন। পরে তিনি সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের সাতটি ইউনিটকে জাতীয় পতাকা প্রদান করেন।

এ বছর সম্মানজনক জাতীয় পতাকা পেয়েছেন প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট, ৭ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ৩২ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ২৫ এডি রেজিমেন্ট, ৯ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন, ৫৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও ৫৭ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..