✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-১৫, | ১৪:৩৪:৩৮ |সাদা বলের ক্রিকেটে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পর এবার টেস্ট ক্রিকেটেও নিজের জায়গা শক্ত করার পথে তাওহীদ হৃদয়। চলতি বছর টেস্ট অভিষেক হলেও শুরুটা প্রত্যাশামতো হয়নি। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন এই ব্যাটার।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ‘এ’ দলের হয়ে ৩৫০ রানের বড় ইনিংস খেলেছেন হৃদয়। এমন পারফরম্যান্সের পর প্রশ্ন উঠেছে, লাল বলের ক্রিকেটের জন্য কি প্রস্তুত হয়ে উঠেছেন তিনি? বাংলাদেশ ‘এ’ দলের কোচ মিজানুর রহমান বাবুল মনে করেন, জাতীয় দলের টেস্ট সংস্করণে খেলার জন্য হৃদয় ইতোমধ্যেই প্রস্তুত।
বাবুল বলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও বেশ কিছুদিন ধরে হৃদয়কে টেস্ট ক্রিকেটে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে। সিনিয়র কয়েকজন ক্রিকেটার না থাকায় দলে নতুনদের দায়িত্ব নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর মতে, হৃদয়ের বর্তমান মানসিকতা ও পারফরম্যান্সই প্রমাণ করে তিনি টেস্টের জন্য প্রস্তুত।
দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে হৃদয়ের দীর্ঘ ইনিংসের প্রশংসা করে কোচ তাঁর মনোযোগ, দৃঢ়তা ও শারীরিক সক্ষমতার কথাও তুলে ধরেন। বাবুলের মতে, টানা কয়েক দিন ব্যাটিং করার সময় শেষ পর্যন্ত উইকেটের মাঝে দৌড়ে রান নেওয়ার সক্ষমতা এবং রান করার ক্ষুধা ধরে রেখেছিলেন হৃদয়। পুরো ইনিংসজুড়েই তাঁর এই মানসিকতা ফুটে উঠেছে।
হৃদয়ের বড় ইনিংসের পেছনে মাঠ পরিচিত থাকাটাও ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন বাবুল। তাঁর ভাষ্য, ম্যাচের প্রথম ও দ্বিতীয় উইকেটের মধ্যে পার্থক্য ছিল। দ্বিতীয় উইকেটের পরিবেশ অনেকটা বাংলাদেশের উইকেটের মতো হওয়ায় হৃদয়ের জন্য ব্যাটিং করা তুলনামূলক স্বাচ্ছন্দ্যের ছিল।
এ ছাড়া যে মাঠে হৃদয় খেলেছেন, সেটির সঙ্গেও তাঁর পরিচিতি রয়েছে। কোচ জানান, ওই মাঠেই বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে হৃদয়ের। ফলে মাঠ ও উইকেট সম্পর্কে তাঁর আগে থেকেই ভালো ধারণা ছিল, যা বড় ইনিংস খেলতে সহায়ক হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
দক্ষিণ আফ্রিকায় এমন পারফরম্যান্সের পর হৃদয়কে টেস্ট দলে আরও নিয়মিত সুযোগ দেওয়ার আলোচনা জোরালো হয়েছে। কোচের বিশ্বাস, লাল বলের ক্রিকেটে নিজেকে প্রমাণ করার মতো মানসিক প্রস্তুতি ও সক্ষমতা ইতোমধ্যেই তৈরি হয়েছে এই ব্যাটারের।