✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-১৩, | ১৩:৫২:৩৫ |ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পৃথক দুটি গ্রাম থেকে এক স্কুলছাত্রী এবং এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের খারদিয়া গ্রাম থেকে মনি আক্তার (১৬) নামের এক স্কুলছাত্রীর এবং উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের ফুকুর হাটি গ্রাম থেকে শনিবার রাত ৮টার দিকে আসমা আক্তার (৫০) নামের এক গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মনি আক্তার ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের খারদিয়া গ্রামের ফরহাদ হাওলাদারের মেয়ে। সেই স্থানীয় একটা হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। অন্যদিকে গৃহবধূ আসমা বেগম ভাঙ্গা উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের ফুকুর হাটি গ্রামের হবিবর মাতুব্বরের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মনি আক্তারের মা-রোকসানা বেগম শনিবার বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে মনি আক্তারকে বাড়িতে রেখে পাটের আঁশ ছাড়ানোর জন্য বাড়ির বাহিরে যান। বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে তিনি বাড়িতে এসে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে মনিকে ডাকাডাকি শুরু করেন। ঘরের ভেতর থেকে কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে জানালা দিয়ে দেখেন তার মেয়ে তাদের টিনের ঘরের কাঠের আড়ার সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছে।
পরে ভাঙ্গা থানায় খবর দিলে ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক আরিফ তালুকদার মনি আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে ভাঙ্গা থানায় নিয়ে আসেন।
অন্যদিকে, ভাঙ্গা উপজেলার নুরুল্লাগঞ্জ ইউনিয়নের ফুকুর হাটি গ্রাম থেকে শনিবার রাত আটটার দিকে আসমা বেগম (৫০ )নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নিহত আসমা বেগমকে শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে বসত ঘরের বারান্দার আড়ার সাথে ওড়না দিয়ে ঝুলতে দেখে বাড়ির লোকজন তাকে নামায়। খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন যাবত মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ছিলেন।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, ভাঙ্গা উপজেলার পৃথক দুটি স্থান থেকে দুই নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।