✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

পরকীয়ার মামলায় ডিএমপির এসআইসহ কারাগারে দুইজন

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-১০, | ২৩:২৫:২৩ |

চট্টগ্রাম দায়ের হওয়া একটি মামলায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের(ডিএমপি) ওয়ারী থানার এসআই মোহাম্মদ নুরুন্নবী মুন্নাসহ ৩৯ বয়সী এক নারীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর হোসেনের আদালত এ আদেশ দেন।

এক নারীর বিরুদ্ধে ব্যভিচার, মারধর, চুরি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে আকবরশাহ থানায় মামলাটি করেন মো. নাদিম শাহ নামে এক ব্যক্তি। এর আগে গতকাল বিকালে নগরীর বিশ্ব কলোনির আই ব্লকের একটি ফ্ল্যাট থেকে স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

মামলার এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন, আসামি কাজী পারভীন আক্তার তার বড় ভাই প্রবাসী মো. জহির শাহের স্ত্রী। জহির শাহ ২০১৮ সালের ২৯ মার্চ সৌদি আরবে যাওয়ার পর থেকে বাদী তার ভাইয়ের স্ত্রী ও সন্তানদের দেখাশোনা করে আসছিলেন। নুরুন্নবী মুন্না নগরীর আকবরশাহ থানায় কর্মরত থাকার সময় পারভীনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়।

পরে তাদের মধ্যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে নুরুন্নবী মুন্না নগরীর বিশ্ব কলোনি আই ব্লকের দ্বিতীয় তলায় জহির শাহের মালিকানাধীন ফ্ল্যাটে যান। সেখানে তিনি পারভীনের সঙ্গে অবস্থান করেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর বিকালে স্থানীয় লোকজন ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে দুজনকে আটক করে রাখেন। খবর পেয়ে বাদী ঘটনাস্থলে গেলে পারভীন তাকে মারধর করেন এবং তার পরনের শার্টের বোতাম ছিঁড়ে ফেলেন।

এ সময় নুরুন্নবী মুন্না স্থানীয়দের সামনে পারভীনকে তার স্ত্রী বলে দাবি করেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ওই ফ্ল্যাট থেকে তার ভাইয়ের বিদেশ থেকে পাঠানো ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ১৫ লাখ টাকা সরিয়ে ফেলেছেন। স্বর্ণালংকারগুলোর আনুমানিক মূল্য ২৬ লাখ টাকা বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। স্থানীয়দের অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে পুলিশ নুরুন্নবী মুন্নাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে পারভীনকেও পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ব্যভিচার শুধু নৈতিক অবক্ষয় নয়, এটি সমাজে নানা ধরনের অপরাধেরও জন্ম দেয়। এ ঘটনায় একজন প্রবাসীর দীর্ঘদিনের কষ্টার্জিত অর্থ ও ১৩ ভরি স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সম্পদ চুরি করা হয়েছে। একজন প্রবাসী পরিবারের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করে যে অর্থ-সম্পদ দেশে পাঠান, তা যদি প্রতারণা ও অনৈতিক সম্পর্কের মাধ্যমে চুরি করা হয়, তাহলে এর চেয়ে দুঃখজনক বিষয় আর হতে পারে না।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..