✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

রংপুরে চার খুন

বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্মারকলিপি

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-০৮, | ২০:১৯:৪২ |

রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় প্রতিবাদ, সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি। 

এদিন দুপুরে সংগঠনের সদস্যসচিব অ্যাড. পলাশ কান্তি নাগ, সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার, মাহফুজ হোসেন, বীথি দাস নন্দিনী, বিজয় প্রসাদসহ সদস্যরা জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ সময় শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ সপরিবারে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত, দ্রুত বিচার এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব অ্যাড. পলাশ কান্তি নাগ বলেন, গণপতি স্যারসহ তার পরিবারের চার সদস্য হত্যা মামলায় নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্ত প্রক্রিয়া কোন পথে অগ্রসর হচ্ছে, এ নিয়ে মানুষের মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা রয়েছে। শুধুমাত্র ইয়াবা সেবন করতে দেখে ফেলায় চারজনকে হত্যা করা হয়েছে, পুলিশের এমন বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের মনে হচ্ছে, সুপরিকল্পিত ও ঠান্ডা মাথায় চারজনকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ৯ দিন পর অভিযুক্তদের ডোপ টেস্ট করিয়ে ফলাফল নেগেটিভ এসেছে। অথচ পুলিশ জানে শরীরে কত দিন পর্যন্ত মাদকের অস্তিত্ব থাকে। ঘটনার ১২ দিন অপর ৩৫টি আলামত ফরেনসিক করার জন্য পাঠানো হয়েছে। এসব নিয়ে আমাদের মনে প্রশ্ন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গণপতি চক্রবর্তীর অবসরজনিত কারণে পাওয়া টাকা নিয়ে হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্র থাকতে পারে। পুরো ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত তাদের নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। সে জন্য আমরা বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করছি। বিতর্কিত ভূমিকার জন্য দায়ী পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। পুলিশ যদি কোনো পক্ষকে বাঁচানোর চেষ্টা করে তবে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনতে হবে।

উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, তাদের মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..