✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-০৭, | ০১:০১:১৩ |ম্যাচ হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিলেই দায়িত্ব শেষ নয়। ইউএস ওপেনে ম্যাচের পর জয়ী কিংবা পরাজিত দুই খেলোয়াড়কেই নির্ধারিত মিডিয়া কার্যক্রমে অংশ নিতে হয়। এই নিয়ম ভাঙলে গুনতে হতে পারে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানা।
২০২৬ সালের অফিসিয়াল গ্র্যান্ড স্লাম রুলবুকের ৪৯ নম্বর পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, প্রতিটি ম্যাচ শেষ হওয়ার পর উপযুক্ত ও যৌক্তিক সময়ের মধ্যে খেলোয়াড়দের পোস্ট-ম্যাচ মিডিয়া কার্যক্রমে অংশ নেওয়া বাধ্যতামূলক। এর মধ্যে টুর্নামেন্টের আয়োজক ও নিজ দেশের সম্প্রচারমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারসহ বিভিন্ন ধরনের মিডিয়া কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত।
তবে অসুস্থতা বা চোটের কারণে কোনো খেলোয়াড় নির্ধারিত মিডিয়া কার্যক্রমে অংশ নিতে না পারলে সেটি ব্যতিক্রম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। অন্যথায় নিয়ম অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়কে ৫০ হাজার ডলার জরিমানা করা হতে পারে।
সম্প্রতি এই নিয়ম নিয়ে আলোচনায় এসেছেন সেরেনা উইলিয়ামসও। জুলাইয়ে উইম্বলডনে মায়া জয়েন্টের কাছে প্রথম রাউন্ডে হারের পর বাধ্যতামূলক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হননি সেরেনা। তবে তার পক্ষ থেকে একটি বক্তব্য প্রকাশিত হওয়ায় এবং বিষয়টি যুক্তিসংগত বলে বিবেচিত হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাকে জরিমানা করা হয়নি।
এই নিয়মের সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণগুলোর একটি নাওমি ওসাকা। ২০২১ সালের ফ্রেঞ্চ ওপেনে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানানোর পর তাকে জরিমানার মুখে পড়তে হয়। পরে মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি উল্লেখ করে টুর্নামেন্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন জাপানের এই তারকা।
সে সময় ওসাকা জানিয়েছিলেন, দীর্ঘদিন ধরে হতাশা ও সামাজিক উদ্বেগের সঙ্গে লড়াই করছেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি তার জন্য মানসিকভাবে কঠিন হয়ে উঠেছিল।
গ্র্যান্ড স্লাম কর্তৃপক্ষ তখন জানিয়েছিল, মিডিয়া কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার বাধ্যবাধকতা এড়িয়ে গেলে বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে খেলোয়াড়দের। শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্ট থেকেই সরে দাঁড়ান ওসাকা।
২০২৬ ইউএস ওপেনে এখন পর্যন্ত এই নিয়ম ভাঙার ঘটনায় কোনো খেলোয়াড়কে জরিমানা করা হয়নি। তবে টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচ হারার পরও মিডিয়ার মুখোমুখি হওয়া খেলোয়াড়দের জন্য বাধ্যতামূলক।