✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

মাচায় ঝুলছে তরমুজ, হাসিবুরের চোখে নতুন স্বপ্ন

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৯-০৩, | ১১:২৮:২৭ |
গাঢ় সবুজ রঙের তরমুজ ঝুলছে এখন মাচায়। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, সবুজ পাতার ফাঁকে ছোট ছোট বাতি জ্বলছে। বাঁশের মাচা বেয়ে ছড়িয়ে পড়েছে লতাগুলো। কোথাও ঘন সবুজ পাতা, কোথাও আবার পাকা হতে থাকা তরমুজ। খেতের ভেতরে বসে কৃষক হাসিবুর রহমানের মুখে তৃপ্তির হাসি।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার মুগবেলাই গ্রামের কৃষক হাসিবুর রহমান (৪০)। তিন বছর আগে এনডিপির সহযোগিতায় মাত্র ১০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে থাইল্যান্ডের উচ্চফলনশীল ‘কানিয়া’ জাতের তরমুজ চাষ শুরু করেন তিনি। এতে তার খরচ হয়েছিল ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। প্রথমবারই খরচ বাদ দিয়ে লাভ হওয়ায় তরমুজ চাষে আগ্রহ আরো বেড়ে যায় তার।
এবার মুগবেলাই উত্তরপাড়ায় প্রায় ২০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছেন হাসিবুর। জমি প্রস্তুত, চারা রোপণ, সার, কীটনাশক ও পরিচর্যাসহ তার খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। ফলন ও বাজারদর ভালো থাকলে এবার এক লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি।

হাসিবুর রহমান জানান, এবার তার ক্ষেতে প্রায় ৪৮ থেকে ৫০ মণ তরমুজ উৎপাদন হতে পারে। বর্তমানে প্রতি কেজি ‘কানিয়া’ তরমুজ ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারদর ভালো থাকলে এক লাখ টাকার বেশি লাভ হবে বলে আশা করছেন তিনি।

কানিয়া জাতের তরমুজে রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ তুলনামূলক কম বলে জানান হাসিবুর। তার ভাষ্য, মালচিং পেপার ব্যবহার করে মাচা পদ্ধতিতে চাষ করায় মাটির আর্দ্রতা ধরে রাখা যায় এবং আগাছাও কম হয়। এতে পরিচর্যায় শ্রম ও খরচ—দুটিই কমে আসে।

চারা রোপণের ৬০ থেকে ৬৫ দিনের মধ্যেই তরমুজ বাজারজাত করা যায় বলেও জানান তিনি। হাসিবুর বলেন, তরমুজ দেখতে সুন্দর, খেতেও রসালো ও মিষ্টি। বাজারে চাহিদা ভালো, দামও পাওয়া যায়। তাই অল্প সময়ে ভালো লাভ করা সম্ভব।

প্রতিবেশী কৃষক হামিদ জানায়, হাসিবুরের তরমুজ চাষ সবার দৃষ্টি কেড়েছে। অনেকেই এই তরমুজ চাষ করতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

কামারখন্দ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন বলেন, হাসিবুরের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। আধুনিক মালচিং ও মাচা পদ্ধতিতে তিনি ভালো ফলন পেয়েছেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তাঁকে প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..