✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-১৫, | ১৩:৫৬:১০ |দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড বিটিএসের বিশ্ব সফরের মধ্যেই নিজের শারীরিক সমস্যার কথা জানিয়েছেন দলের সদস্য ভি। তিনি বলেছেন, গত আড়াই বছর ধরে তার ডান কানে শ্রবণশক্তি কমে যাচ্ছে। এ জন্য চিকিৎসাও নিচ্ছেন তিনি।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩০ বছর বয়সী এই শিল্পী সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে প্রথমবারের মতো ভক্তদের কাছে তার শ্রবণ সমস্যার কথা জানান। ভি বলেন, বাঁ কানের শ্রবণক্ষমতা যদি ১০০ শতাংশ ধরা হয়, তাহলে ডান কানে তা এখন প্রায় ৩০ শতাংশের মতো। শুরুতে বিষয়টি তেমন গুরুত্ব দেননি তিনি। পরে সমস্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেন।
ভি জানান, বর্তমানে নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ২০২৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বাধ্যতামূলক সামরিক সেবায় যোগ দিয়েছিলেন তিনি। ২০২৫ সালের জুনে সামরিক দায়িত্ব শেষ করে সংগীতের কাজে ফেরেন। তার ভাষ্য, সামরিক বাহিনীতে থাকার সময় শ্রবণসংক্রান্ত সমস্যাটি আরও বেড়ে যায়।
ভির আসল নাম কিম তেহিয়ং। দীর্ঘ বিরতির পর গত এপ্রিল থেকে বিটিএস আবার বিশ্ব সফরে রয়েছে। ‘আরিরাং’ নামের এই সফর আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত চলার কথা। শুরুতে ৩৪টি শহরে ৭৯টি কনসার্টের পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা বেড়ে ৮৮টিতে দাঁড়িয়েছে।
চলতি বছর নতুন অ্যালবামও প্রকাশ করেছে বিটিএস। ২০২২ সালে লাস ভেগাসে ‘বিটিএস পারমিশন টু ড্যান্স অন স্টেজ’ কনসার্টের পর দলগতভাবে আর কোনো বিশ্ব সফরে দেখা যায়নি তাদের। দীর্ঘ বিরতির অন্যতম কারণ ছিল সদস্যদের বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা। আরএম, জিন, সুগা, জে-হোপ, জিমিন, ভি ও জাংকুক- সব সদস্যকেই সামরিক প্রশিক্ষণে যেতে হয়েছিল। এ সময়ে কেউ কেউ একক গান প্রকাশ করলেও দলগতভাবে বিটিএসের কার্যক্রম ছিল সীমিত।
এদিকে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস নিয়েও আলোচনায় রয়েছে বিটিএস। ২০২৭ সালের গ্র্যামিতে গান জমা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে দলটি। এর পর গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের ওয়েবসাইট থেকে বিটিএসের ২০২১ সালের ‘ডায়নামাইট’ ও ২০২২ সালের ‘বাটার’ গানের দুটি সরাসরি পরিবেশনার ভিডিও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে ভিডিও দুটি বিটিএসের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলসহ অন্য প্ল্যাটফর্মে এখনো রয়েছে।
এর আগে একাধিকবার গ্র্যামিতে মনোনয়ন পেলেও পুরস্কার জিততে পারেনি বিটিএস। ২০২৭ সালের গ্র্যামিতে ‘বেস্ট এশিয়ান পপ মিউজিক পারফরম্যান্স’ নামে নতুন একটি বিভাগ চালুর ঘোষণা দিয়েছে রেকর্ডিং একাডেমি। এই নতুন বিভাগ নিয়ে বিটিএসের আপত্তি থাকতে পারে এবং এ কারণেই তারা গান জমা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।