সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

জ্বালানি ব্যবসায়ীদের যেভাবে আরও ধনী বানাচ্ছেন ট্রাম্প!

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-০২, | ১৬:১৭:০১ |
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাতের কারণে তেল পরিবহন ব্যাহত হওয়া, জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়া এবং বিশ্বজুড়ে ভোক্তারা জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি হলেও, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ তেল ও গ্যাস কোম্পানিগুলো বিপুল মুনাফা করেছে।

এখন ষষ্ঠ মাসে গড়ানো এই সংঘাতের ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে অধিকাংশ জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সরু এই জলপথটি আগে বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ পরিবহনের প্রধান রুট ছিল। বৈশ্বিক সরবরাহ সীমিত হয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭০ ডলার থেকে বেড়ে মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসের বেশির ভাগ সময় ১০০ ডলারের ওপরে অবস্থান করে এবং একপর্যায়ে ১২৬ ডলারে পৌঁছে যায়।

এপ্রিলের শুরু থেকে জুনের শেষ পর্যন্ত সময়ে তেল কোম্পানিগুলোর অর্জিত মুনাফা এ বছর অতিরিক্ত নজরদারির মুখে পড়তে পারে। ওই সময়ে পেট্রোল, ডিজেল ও জেট জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় চালক ও বিমানযাত্রীদের ব্যয় বৃদ্ধি পায়। কিছু দেশে জ্বালানির সরবরাহ কমে যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়ায় মাঝে মাঝে জ্বালানি রেশনিং চালু করতে হয় এবং নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় সরকারি অফিস বন্ধ রাখতে হয়।

শুক্রবার এক্সন মোবিল জানায়, রেকর্ড পরিমাণ ডিজেল উৎপাদনের ফলে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে তাদের মুনাফা দ্বিগুণ হয়ে ১৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। টেক্সাসের স্প্রিং শহরভিত্তিক এই তেল কোম্পানির আয় ৪২ শতাংশ বেড়ে ১১৬ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

হিউস্টনভিত্তিক শেভরনের মুনাফা প্রায় চার গুণ বেড়ে ১২ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে এবং তাদের আয় ৫৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৭০ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

ইউরোপের ছয়টি বৃহত্তম তেল কোম্পানি চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে সম্মিলিতভাবে ২২ বিলিয়ন ডলার মুনাফা করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪০ শতাংশেরও বেশি।

পরিবেশবিষয়ক অনুসন্ধানী অলাভজনক সংস্থা গ্লোবাল উইটনেস-এর জীবাশ্ম জ্বালানি বিষয়ক প্রধান প্যাট্রিক গ্যালে বলেন, বিশ্বে এমন কিছু পক্ষ রয়েছে, যারা এই সংকট থেকে বেশ ভালোই লাভবান হচ্ছে, আর তেল উৎপাদনকারীরা তাদের অন্যতম।

তিনি আরও বলেন, অন্যদিকে শত শত কোটি মানুষ ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট, বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিধিনিষেধ, রেশনিং, খাবারের জন্য দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা, সারের সরবরাহে বিঘ্ন এবং এর ফলে খাদ্যের দাম বাড়ার সম্ভাবনার মতো সমস্যায় ভুগছে। বিশ্বের বাকি মানুষের জন্য এটি কোনোভাবেই ন্যায্য মূল্য বলে আমরা মনে করি না।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..