সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

ভিশিং ফোনকল শঙ্কা বাড়িয়ে চলেছে

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১৭, | ২০:৩২:৫৭ |
ডিজিটাল যুগে অপতৎপরতায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছে অপচক্রের কৌশলী ও বহুমুখী আচরণ। 

এর আগে ফেক ইমেইল, মেসেজ বা সাইটের মাধ্যমে অনেককে প্রতারণার ফাঁদে টেনে আনা হতো। এ জায়গা দখল নিয়েছে ভিশিং বা ভয়েস ফিশিং। সাধারণ ফোনকলের মাধ্যমে অনেকের ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য আর অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা বেড়েছে সারাবিশ্বে। 

সাইবার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২৫ সালকে ভিশিং প্রতারণার বছর বললে খুব বেশি ভুল বলা হবে না। এরই ধারাবাহিকতা দেখা গেছে চলতি বছরে। গবেষণা ও পরিসংখ্যান বলছে, সারাবিশ্বে ভিশিং আক্রমণ প্রতিবছর ৩০ শতাংশ হারে বেড়েছে। ২০২৩ সালে এ ধরনের প্রতারণার কারণে ক্ষতির পরিমাণ ১২০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে। দক্ষিণ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এ পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।
 
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৌরাত্ম্য
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অর্থাৎ এআই প্রযুক্তিনির্ভর পরিচয় জালিয়াতি ও প্রতারণার ঘটনা বেড়েছে কয়েক গুণ।

সাইবার গবেষকরা বলছেন, ভিশিং এখন আর শুধু প্রতারণামূলক ফোনকলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটি প্রযুক্তি, মনস্তাত্ত্বিক চাপ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ অপরাধ চক্র। সাধারণের ভয় ও বিশ্বাস কাজে লাগিয়ে ফাঁদ তৈরি করছে অপচক্র। সারাবিশ্বে ডিজিটাল অ্যারেস্ট নামে পরিচিত নতুন ধরনের প্রতারণা শঙ্কা বাড়িয়েছে। অপচক্র নিজেদের সিবিআই, পুলিশ বা অন্য কোনো সরকারি তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তা বলে পরিচয় দেয়। টার্গেটকে ফোনকলে তারা বলে, 
তার নামে কোনো অপরাধমূলক কার্যকলাপ চলছে। এ কারণে তদন্তের প্রয়োজনে তাকে ভিডিওকলে থাকতে হবে। ভয় দেখিয়ে অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফোনে বিভ্রান্ত করা হয়। অনেক ঘটনায় এমন হয়েছে, কাউকে টানা ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় বিভ্রান্ত করা হয়েছে। কয়েকটি ক্ষেত্রে প্রতারণার পুরো প্রক্রিয়া চলেছে মাসজুড়ে। মধ্যবর্তী সময়ের মধ্যে অপচক্র ভুক্তভোগীর কাছ থেকে অনেক কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেয়। সবচেয়ে উদ্বেগের কারণ হলো এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ
অপচক্র কোনো ব্যক্তির কণ্ঠস্বর হুবহু নকল করতে সক্ষম। ফলে পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা ব্যাংক কর্মকর্তার কণ্ঠস্বর শুনে সহজেই বিভ্রান্ত হয়ে যান অনেকে। প্রবীণ ও বয়স্কদের ফোন করে বলা হয়, তাদের পরিবারের কেউ কঠিন বিপদে পড়েছেন বা দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। তাই জরুরি ভিত্তিতে অর্থ প্রয়োজন। পরিচিত কণ্ঠস্বর শুনে তারা প্রতারণা চক্রের কাছে ধরাশায়ী হচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে একেবারে সুনিশ্চিত না হয়ে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনে না জড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..