✕

সর্বশেষ :
পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শনিবার খোলা থাকবে কিনা, যা জানা গেল শেষ মুহূর্তে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি, শুক্রবার বাজবে ঢাকের বাদ্য ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করে নতুন অধ্যাদেশ জারি পৃথক অভিযানে ভায়াগ্রা ও নিষিদ্ধ ক্রিমসহ কোটি টাকার পণ্য জব্দ উত্তরায় সড়ক ছাড়লেন শ্রমিকরা, যান চলাচল স্বাভাবিক কৃষি উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে আগ্রহী কানাডা বগুড়ায় শিক্ষককে পিটিয়ে আহত করা সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষক কৃষি খাত লাভজনক করতে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি

আফ্রিকায় মিলল সম্পূর্ণ নতুন এক বানর

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১৬, | ১৮:২২:৪৩ |

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআরসি) গভীর জঙ্গলে সম্পূর্ণ নতুন প্রজাতির এক বানরের খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আধুনিক বিজ্ঞানে এটি অন্যতম বিরল একটি আবিষ্কার। গত ৭৫ বছরে আফ্রিকায় এমন ঘটনা ঘটেছে মাত্র পাঁচবার!

নতুন এই বানরটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘কলোবাস কঙ্গোয়েনসিস’। তবে স্থানীয়রা একে ‘লিকওয়েলি’ বলে ডাকে। বানরটির শরীরের লোম কালো ও চকচকে, লেজ বেশ লম্বা। তবে এর মুখের চারপাশে থাকা উজ্জ্বল কমলা রঙের দাগ একে সবচেয়ে আলাদা করেছে। বানরটির ওজন প্রায় ১৫ পাউন্ড, যা এর অন্য আত্মীয়দের তুলনায় বেশ ছোট। এছাড়া এর ভাঁজ করা বড় কান রয়েছে।

এর আবিষ্কারের গল্পটিও বেশ রোমাঞ্চকর। ২০০৮ সালে কঙ্গোর জঙ্গলে প্রথম এই বানরের একটি অস্পষ্ট ছবি তোলা হয়। পরিষ্কার ছবি পেতে বিজ্ঞানীদের অপেক্ষা করতে হয় আরও ১০ বছর। এরপর শুরু হয় জিন, কঙ্কাল ও গলার স্বর নিয়ে গভীর গবেষণা। সম্প্রতি ‘প্লোস ওয়ান’ জার্নালে এই গবেষণার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। গবেষণায় যুক্ত থাকা পিএইচডি শিক্ষার্থী জুনিয়র আম্বোকো এই বানরের নামকরণে সাহায্য করেছেন।

গবেষণায় একটি অবাক করা তথ্য সামনে এসেছে। এই বানরটির সবচেয়ে কাছের আত্মীয় প্রজাতির বাস প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দূরে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ বছর আগে তারা একই পূর্বপুরুষ থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিল।

তবে খুশির খবরের পাশাপাশি বিজ্ঞানীরা সতর্কও করেছেন। বানরটি এরই মধ্যে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। এরা মাত্র ১ হাজার ৭০০ বর্গকিলোমিটার এলাকার মধ্যে বাস করে। ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে মাত্র ১১৪ বার এদের দেখা মিলেছে। বন উজাড় ও শিকারের কারণে এদের অস্তিত্ব এখন বিপন্ন। তাই প্রজাতিটিকে টিকিয়ে রাখতে ল্যামামি ন্যাশনাল পার্ক রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..