✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

মোজতবা খামেনি কোথায়?

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-০৫, | ১৪:১২:০১ |
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। ইরানের কর্মকর্তারা বলছেন, ৫৬ বছর বয়সী বর্তমান নেতা তাঁর বাবার জানাজা ও দাফনে অংশ নেবেন না। তাঁকে হত্যার জন্য ইসরায়েলি হুমকি এখনও কাটেনি। 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় মোজতবা তাঁর বাবা, স্ত্রী, বোন, ভগ্নিপতি ও ১৪ বছর বয়সী ভাগনিকে হারান। একই সময়ে মোজতবা নিজে ও তাঁর ছোট ছেলে আহত হন। নিরাপত্তাজনিত কারণে তাঁর অবস্থানের তথ্য গোপন রাখা হয়েছে।   

সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি হিসেবে ভারতে নিযুক্ত আয়াতুল্লাহ হাকিম এলাহী সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, গত সপ্তাহে তিনি ইরানে ছিলেন। তখন মোজতবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এমন কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়। তারা জানিয়েছেন, মোজতবা প্রকাশ্যে আসতে চান, সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করতে চান। কিন্তু নিরাপত্তা ব্যবস্থা তাঁকে প্রকাশ্যে আসার অনুমতি দিচ্ছে না।

ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাকিম এলাহী আরও বলেন, ‘নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বলেছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক। মোজতবার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেওয়া যাচ্ছে না। আমার মনে হয় এ কারণে তিনি প্রকাশ্যে আসবেন না।’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি শুরুর পর একাধিকবার গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন মোজতবা। তবে সেগুলো টেলিভিশনের উপস্থাপকরা পড়ে শুনিয়েছেন। সবশেষ সমঝোতা স্বাক্ষরের প্রক্রিয়ায় তাঁর অনুমোদন সংক্রান্ত একটি বিবৃতি গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।

এদিকে মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওসের সঙ্গে আলাপকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ওয়াশিংটন চাইলে মাত্র এক আঘাতেই ইরানের অবশিষ্ট নেতৃত্বকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এমন পদক্ষেপ নিতে চায় না। কারণ, তারা ইরানের সঙ্গে কূটনীতি টিকিয়ে রাখতে আগ্রহী।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..