সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

রবিন হুডকে আশ্রয় দেওয়া ঐতিহাসিক মেজর ওক গাছের জীবনাবসান

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-১৯, | ১১:৪৫:৩১ |
ইংল্যান্ডের শেরউড ফরেস্টে অবস্থিত কিংবদন্তি ‘মেজর ওক’ গাছটি অবশেষে মারা গেছে বলে জানিয়েছে রয়্যাল সোসাইটি ফর দ্য প্রোটেকশন অব বার্ডস (আরএসপিবি)। প্রায় ১২০০ বছর পুরনো এই ওক গাছটি রবিন হুডের আশ্রয়স্থল হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত ছিল।

আরএসপিবি জানায়, চলতি বসন্তে গাছটিতে কোনো নতুন পাতা গজায়নি, যা এর মৃত্যুর ইঙ্গিত বহন করছে। দীর্ঘদিন ধরে গাছটিকে ঘিরে মৃত্যুর গুজব ছড়ালেও এবার পরিস্থিতি ভিন্ন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সংগঠনটির কর্মকর্তা হলি ড্রেক বলেন, এ বছর গাছে নতুন পাতা না দেখা যাওয়ায় তারা গভীরভাবে মর্মাহত। বিশেষজ্ঞদের মতে, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে লাখো দর্শনার্থীর পদচারণায় গাছটির চারপাশের মাটি অত্যন্ত শক্ত হয়ে যায়। ফলে বৃষ্টির পানি ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি শিকড়ে পৌঁছাতে পারেনি।

এছাড়া সাম্প্রতিক বছরগুলোর তীব্র খরা, অতিরিক্ত তাপমাত্রা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও গাছটির মৃত্যুর পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, মেজর ওকের শিকড় ধীরে ধীরে কার্যত শ্বাসরুদ্ধ ও পুষ্টিহীন অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিল।

কিংবদন্তি অনুসারে, ত্রয়োদশ শতাব্দীর বিখ্যাত দস্যু রবিন হুড নটিংহ্যামের শেরিফের তাড়া এড়িয়ে শেরউড ফরেস্টে আশ্রয় নিতেন এবং মেজর ওক ছিল তার অন্যতম গোপন আস্তানা। ১৭৯০ সালে মেজর হেইম্যান রুকের একটি বইয়ে গাছটির উল্লেখের পর থেকেই এটি ‘মেজর ওক’ নামে পরিচিতি পায় এবং পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।

প্রকৃতি সংরক্ষণবাদীরা বলছেন, মেজর ওকের মৃত্যু শুধু একটি গাছের অবসান নয়, বরং শতাব্দীপ্রাচীন প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যেরও একটি বড় ক্ষতি।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..