সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

রাজশাহীর আম খেয়ে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-১৬, | ১৮:২১:৩৪ |

উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ আমের বাজার রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর আম হাট পরিদর্শন এবং তাজা আম চেখে মুগ্ধ হয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। 

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ৯টায় তিনি হাটে এসে বিভিন্ন আমের আড়ত ও দোকান ঘুরে দেখেন। এ সময় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন পলিটিক্যাল কাউন্সেলর এরিক গিলান ও পলিটিক্যাল অফিসার চার্লস বেসনার্ড সহ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনকালে হাটে বিক্রি হওয়া বিভিন্ন জাতের আম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, রাষ্ট্রদূত হিসেবে এটি আমার প্রথম রাজশাহী সফর। ২০২০ সালে একবার এখানে এসেছিলাম। তবে এবার বিশেষভাবে আমের মৌসুমে এসেছি, কারণ আমি রাজশাহীর বিখ্যাত আমের স্বাদ নিতে চেয়েছিলাম। এখানে আসতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত।

তিনি আরও বলেন, আমি যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৃষিপ্রধান অঙ্গরাজ্য থেকে এসেছি। কোনো পণ্য যেখানে উৎপাদিত হয়, সেখানে গিয়ে সেটি দেখার ও উপভোগ করার অভিজ্ঞতার কোনো তুলনা নেই। সেখানে সবচেয়ে তাজা, সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় এবং সেরা পণ্যগুলো দেখার সুযোগ মেলে।

বাংলাদেশের আম রফতানির সম্ভাবনা প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমেরিকানরা আম খুব পছন্দ করে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রে আমরা বেশিরভাগ সময় হিমায়িত আম পাই এবং তা শেক বা বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে ব্যবহার করি। বাংলাদেশের মতো এতো তাজা আম সেখানে সহজে পাওয়া যায় না।

তিনি বাংলাদেশের আম রফতানি বাড়াতে কোল্ড চেইন বা আধুনিক হিমাগার ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বাংলাদেশে আরও উন্নত কোল্ড চেইন ব্যবস্থা প্রয়োজন। হিমায়িত আম আন্তর্জাতিক বাজারে রফতানির জন্য অত্যন্ত উপযোগী। সারা বছর আমের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এবং রফতানি বাড়াতে কোল্ড চেইন অবকাঠামোর উন্নয়ন জরুরি বলেও জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

হাটে উপস্থিত ব্যবসায়ীরা জানান, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এমন সফর তাদের জন্য গর্বের বিষয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ সফরের মাধ্যমে রাজশাহীর আম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও পরিচিতি লাভ করবে এবং বিদেশি বাজারে এর চাহিদা বাড়বে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..