✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

সাহারা মরুভূমির উল্কাপিণ্ডে মিলল হারিয়ে যাওয়া গ্রহের প্রমাণ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-১১, | ১৭:০১:৫৭ |

সাহারা মরুভূমিতে পাওয়া একটি বিরল উল্কাপিণ্ড বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা এমন একটি হারিয়ে যাওয়া গ্রহের অস্তিত্বের প্রমাণ পেয়েছেন, যা একসময় আমাদের সৌরজগতের অংশ ছিল। তাদের ধারণা, এই গ্রহটি আকারে প্রায় মঙ্গল গ্রহের মতো বড় ছিল এবং পরে কোনো ভয়াবহ সংঘর্ষে ধ্বংস হয়ে যায়।

গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে Earth and Planetary Science Letters সাময়িকীতে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, প্রায় ৪.৫৬ বিলিয়ন বছর আগে সৌরজগত ছিল অত্যন্ত বিশৃঙ্খল। সে সময় ছোট-বড় গ্রহ ও পাথুরে বস্তু একে অপরের সঙ্গে বারবার সংঘর্ষে লিপ্ত হতো।

এই গবেষণার মূল সূত্র হলো ‘নর্থওয়েস্ট আফ্রিকা ১২৭৭৪’ (NWA 12774) নামে একটি উল্কাপিণ্ড, যা সাহারায় পাওয়া গেছে। এটি ‘অ্যাংগ্রাইট’ শ্রেণির। অ্যাংগ্রাইট হলো সৌরজগতের সবচেয়ে প্রাচীন আগ্নেয় শিলা, যা সৌরজগত তৈরি হওয়ার কয়েক মিলিয়ন বছরের মধ্যেই গঠিত হয়েছিল। পৃথিবীতে পাওয়া ৮০ হাজারের বেশি উল্কাপিণ্ডের মধ্যে মাত্র ৬৮টি অ্যাংগ্রাইট পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞানীরা এই উল্কাপিণ্ডে ‘ক্লিনোপাইরোক্সিন’ নামের একটি খনিজ পেয়েছেন। এতে অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ বেশি, যা বোঝায় এটি খুব বেশি চাপের মধ্যে তৈরি হয়েছিল। গবেষণায় জানা যায়, এই ধরনের শিলা তৈরি হতে অন্তত ১৭.৫ কিলোবার চাপ লাগত, যা ছোট কোনো গ্রহাণুর ভেতরে সম্ভব নয়।

তাই বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এই শিলাটি এমন একটি বড় গ্রহে তৈরি হয়েছিল যার ব্যাসার্ধ অন্তত ১,০০০ কিলোমিটার ছিল। আরও বিশ্লেষণে দেখা যায়, ওই গ্রহটি সম্ভবত আরও বড় ছিল—চাঁদের মতো, এমনকি মঙ্গল গ্রহের কাছাকাছি আকারের।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, পরবর্তীতে বড় ধাক্কায় এই গ্রহটি ভেঙে যায়। এর টুকরো পরে অন্য গ্রহ, এমনকি পৃথিবীর গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে।

তাদের মতে, এই আবিষ্কার দেখায় সৌরজগতের শুরুতে গ্রহ তৈরির প্রক্রিয়া আরও বৈচিত্র্যময় ছিল, যা আগে ধারণা করা হয়নি।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..