✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

গোপন পারমাণবিক স্থাপনা ঘুরে দেখলেন কিম জং, অস্ত্র উৎপাদন বৃদ্ধির ঘোষণা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-০৫, | ১৫:০৫:৪৭ |

নতুন একটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র উন্মোচন করেছে উত্তর কোরিয়া। পারমাণবিক বোমার জ্বালানি উৎপাদনে সক্ষম এই স্থাপনা পরিদর্শনে গিয়ে দেশটির নেতা কিম জং উন ঘোষণা দিয়েছেন, তার দেশ পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার ‘জ্যামিতিক হারে’ সম্প্রসারণ করবে।

বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) নতুন এই প্ল্যান্টের বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছে। ছবিগুলোতে দেখা যায়, পরিদর্শনে গিয়ে সরু করিডোর দিয়ে হাঁটছেন কিম, তার দুই পাশে ছিল রূপালি রঙের নল ও পাইপ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এগুলো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে ব্যবহৃত সেন্ট্রিফিউজ হলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

আরেকটি ছবিতে তাকে একটি বৈঠক কক্ষে দেখা যায়, যেখানে টেবিলের ওপর একটি অস্পষ্ট চিত্র রাখা ছিল। চিত্রটিতে শঙ্কু আকৃতির একটি বস্তুর নকশা দেখা যায়, যা সম্ভবত পারমাণবিক ওয়ারহেডের নকশা হতে পারে।

কেসিএনএ জানিয়েছে, নতুন স্থাপনাটিতে ‘আরও উন্নত প্রযুক্তি’ ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এই স্থাপনাটির অবস্থান সম্পর্কে কোনও তথ্য দেয়া হয়নি।

এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো প্রকাশ্যে কোনো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের তথ্য প্রকাশ করল উত্তর কোরিয়া। এর আগে ২০১০ সালে ইয়ংবিয়ন পারমাণবিক কমপ্লেক্সে এমন একটি স্থাপনা দেখানো হয়েছিল। পরে ২০২৪ সালে আরেকটি গোপন স্থাপনার ছবি প্রকাশ করা হয়। গত সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার একীকরণমন্ত্রী বলেছিলেন, উত্তর কোরিয়ার এমন চারটি স্থাপনায় নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

স্থাপনাটি পরিদর্শনের সময় কিম জং উন বলেন, শত্রুদের সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থানের কারণে পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতাকে গুণগত ও পরিমাণগত- উভয় দিক থেকেই শক্তিশালী করার প্রয়োজন বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়াকেই ইঙ্গিত করেছেন তিনি।

কিম আরও দাবি করেন, পাঁচ বছর আগের তুলনায় উত্তর কোরিয়ার ‘পারমাণবিক উপাদানের উৎপাদন সক্ষমতা দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে’। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, কিমের মূল লক্ষ্য হলো উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি আদায় করা। এরপর জাতিসংঘের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পারেন তিনি। ভবিষ্যতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে তার পারমাণবিক সক্ষমতা আংশিক সীমিত করার বিনিময়ে কিছু সুবিধা অর্জনের চেষ্টা করতে পারেন।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..