✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

জুন-আগস্টে এল নিনোর আশঙ্কা, কমতে পারে মৌসুমি বৃষ্টিপাত

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-০২, | ১৮:৪১:৫৯ |

চলতি মাস থেকে আগস্টের মধ্যে তাপমাত্রা বাড়ানো জলবায়ুগত ঘটনা ‘এল নিনো’ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ৮০ শতাংশ। এর ফলে বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও)।

মঙ্গলবার প্রকাশিত পূর্বাভাসে সংস্থাটি জানায়, উষ্ণমণ্ডলীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক ধারা বদলে দিতে পারে।

জুন থেকে আগস্ট সময়ের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চলে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা থাকতে পারে। এর ফলে বিভিন্ন এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। আঞ্চলিক জলবায়ু কেন্দ্রগুলোর তথ্য বলছে, দক্ষিণ এশিয়ায় গড়ের তুলনায় কম মৌসুমি বৃষ্টিপাত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ু প্রক্রিয়া। এ সময় মধ্য ও পূর্ব নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেড়ে যায়। এর ফলে বিশ্বজুড়ে বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরনে বড় পরিবর্তন দেখা দেয়। সাধারণত প্রতি দুই থেকে সাত বছর পরপর এটি দেখা দেয় এবং ৯ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

ডব্লিউএমওর ত্রৈমাসিক তথ্য অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরের মধ্যে এল নিনো পুরোপুরি গড়ে ওঠার সম্ভাবনা ৯০ শতাংশ বা তারও বেশি। অধিকাংশ পূর্বাভাস বলছে, এবারের এল নিনো মাঝারি থেকে শক্তিশালী হতে পারে।

ডব্লিউএমওর প্রধান চেলেন্তে সাউলো বলেন, বিশ্বের এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। কারণ এল নিনোর প্রভাবে খরা ও ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, এল নিনো দোরগোড়ায় চলে এসেছে। বিশ্বের উচিত এটিকে একটি জরুরি জলবায়ু সতর্কতা হিসেবে বিবেচনা করা। এল নিনো পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকা পৃথিবীতে ‘আগুনে ঘি ঢালার’ মতো কাজ করবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..