✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

‘ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে ইরানের’

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-০২, | ১৩:১৮:২৪ |
লেবাননে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান সামরিক আগ্রাসন এবং ইরানি বন্দরে মার্কিন নৌ অবরোধের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতার সিনিয়র উপদেষ্টা মহসেন রেজায়ি।

সোমবার (১ জুন) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, তেহরানের ধৈর্যেরও একটা সীমা রয়েছে।

সাবেক এই আইআরজিসি (ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী) প্রধান এমন এক সময়ে এই মন্তব্য করলেন, যখন ইসরায়েল লেবাননে তাদের হামলা আরও জোরদার করেছে এবং অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালীর কাছাকাছি এলাকায় নৌ দস্যুতা বজায় রেখেছে। উল্লেখ্য, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলের অবৈধ আগ্রাসনী যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই কৌশলগত এই হরমুজ প্রণালীটি সম্পূর্ণভাবে ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

উপদেষ্টা মহসেন রেজায়ি তাঁর পোস্টে লিখেছেন, 'হরমুজ প্রণালী এখন ইরানের নিয়ন্ত্রণে। আমরা এই নৌ অবরোধ এভাবে চলতে দেব না এবং লেবাননে চলমান উত্তেজনা বৃদ্ধিও আর বরদাশত করব না।' সেই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, 'ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ধৈর্যের একটা নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে।'

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলের এই অযাচিত আগ্রাসন শুরু হয়। এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পুরো অঞ্চল জুড়ে থাকা সংবেদনশীল ও কৌশলগত মার্কিন ও ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল সীমিত করে দেয়। পরবর্তীতে যুদ্ধের ৪০ দিনের মাথায়, গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে প্রথম দফার আলোচনা কোনো ধরনের চুক্তি ছাড়াই ব্যর্থ হয়েছে।

ইরান শুরু থেকেই জোর দিয়ে আসছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে শত্রুতার সম্পূর্ণ অবসান অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

যদিও গত ১৭ এপ্রিল তেল আবিব ও বৈরুত একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিল, কিন্তু দখলদার ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠী লেবাননে বেশ কয়েকটি প্রাণঘাতী হামলা চালিয়ে ইতিমধ্যে সেই চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। সর্বশেষ বৈরুতে ইসরায়েলের নতুন বোমাবর্ষণের হুমকির জেরে শহরটির দক্ষিণ শহরতলি থেকে ব্যাপক হারে বেসামরিক মানুষের বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটছে।

সূত্র: প্রেস টিভি

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..