সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ‘মার্চ টু সচিবালয়’ শুরু

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-১০-১৪, | ১১:১১:৪৪ |

বাড়িভাড়া বৃদ্ধিসহ তিন দফা দাবিতে মার্চ টু সচিবালয় কর্মসূচি শুরু করেছেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত কয়েক হাজার শিক্ষক। 

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকাল সোয়া ৪টার দিকে শহীদ মিনার থেকে এ কর্মসূচি শুরু করা হয়।

ঘোষণা অনুযায়ী- শিক্ষকরা শহীদ মিনার থেকে সচিবালয়ের সামনে যাবেন। সেখানে অবস্থান নেবেন। প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত তারা সেখান থেকে ফিরবেন না।

এর আগে দুপুর ১২টায় মার্চ টু সচিবালয় কর্মসূচি করার কথা ছিল শিক্ষকদের। তবে অর্থ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বৈঠকে বসায় বিষয়টি সুরাহা হতে পারে জানিয়ে এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ শিক্ষকদের মার্চ টু সচিবালয় কর্মসূচি না করতে অনুরোধ জানান।

তার পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষকরা দুপুর ১২টার পরিবর্তে বিকাল ৪টা এ কর্মসূচি করার ঘোষণা দেন। তবে বেঁধে দেওয়া সময়েও দাবি না মানায় এবার সচিবালয় অভিমুখে যাচ্ছেন শিক্ষকরা।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আন্দোলনকারী ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট’-এর সদস্যসচিব দেলাওয়ার হোসেন আজিজী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শিক্ষা উপদেষ্টার পক্ষ থেকে দেওয়া আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছি আমরা। আমাদের একটাই দাবি, প্রজ্ঞাপন দিতে হবে। কোনো আলোচনার আর সুযোগ নেই।’

দুপুর পৌনে ১২টায় পুলিশের রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলমসহ একটি দল শহীদ মিনারে আসে। তারা শিক্ষকদের লংমার্চ পেছানোর জন্য অনুরোধ করে। এ সময় শিক্ষকনেতা দেলোয়ার হোসেনের মোবাইল ফোনে একটি কল আসে। পরে তিনি বলেন, এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ তাকে কল করে লংমার্চ কর্মসূচি পেছানোর অনুরোধ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রশাসন জানিয়েছে, তারা দাবি মেনে নেবে। তবে প্রজ্ঞাপন জারি হতে কিছুটা সময় লাগবে। আমরা যাতে লংমার্চ কর্মসূচি পালন না করি। বিষয়টি নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহও আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। তবে আমরা জানিয়েছি, প্রজ্ঞাপন ছাড়া লংমার্চ প্রত্যাহারের সুযোগ নেই।’

এই শিক্ষকনেতা আরও বলেন, আমরা প্রশাসনকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছি। এর মধ্যে দাবি মেনে নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি না করলে আমরা সচিবালয় অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করব।

আজ সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে দেখা যায়, হাজারো শিক্ষক-কর্মচারী অবস্থান করছেন। আন্দোলনকারীদের তিনটি দাবি হলো—মূল বেতনের ২০ শতাংশ (ন্যূনতম তিন হাজার টাকা) বাড়িভাড়া। শিক্ষক ও কর্মচারী উভয়ের জন্য চিকিৎসা ভাতা দেড় হাজার টাকা করা। কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৭৫ শতাংশ করা।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..