✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

ধূমপান কমানোর অঙ্গীকার, তবু চীনে বাড়ছে সিগারেট বিক্রি

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২৭, | ২৩:১৩:২৮ |

ধূমপান নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তবে এক দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও বিশ্বের সবচেয়ে বড় সিগারেট বাজার এখনো চীনই। দেশটিতে প্রতি বছর প্রায় ২ লাখ ৪৪ হাজার কোটি সিগারেট বিক্রি হয়, যা বিশ্বব্যাপী মোট সিগারেট ব্যবহারের প্রায় ৪৭ দশমিক ২ শতাংশ।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০০৩ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে চীনে সিগারেট ব্যবহার ৩৯ শতাংশ বেড়েছে। অথচ একই সময়ে বিশ্বের বাকি অংশে সিগারেট বিক্রি কমেছে প্রায় ২৬ দশমিক ৪ শতাংশ।

চীনের তামাক শিল্পের মূল নিয়ন্ত্রণে রয়েছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ‘চায়না ন্যাশনাল টোব্যাকো করপোরেশন’। ‘চায়না টোব্যাকো’ নামেও পরিচিত এই প্রতিষ্ঠান বিশ্বে ব্যবহৃত মোট সিগারেটের প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ উৎপাদন করে। সবচেয়ে অস্বাভাবিক বিষয় হলো, একই সরকারি সংস্থা একদিকে তামাক নিয়ন্ত্রণ করে, অন্যদিকে সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানও পরিচালনা করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীনে সিগারেটের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় বিক্রি বাড়ছে। সেখানে এক প্যাকেট সিগারেটের গড় দাম প্রায় ৩ ডলার, যা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ।

২০২৫ সালে চায়না টোব্যাকো কর ও মুনাফা মিলিয়ে প্রায় ২৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলার আয় করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এটি চীনের মোট সরকারি আয়ের প্রায় ৭ শতাংশের সমান। অর্থনৈতিক মন্দা ও সম্পত্তি খাতের সংকটের কারণে এই আয় এখন সরকারের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

চীনের সরকার ২০০৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তামাক নিয়ন্ত্রণ চুক্তিতে সই করলেও কঠোর নিয়ম পুরোপুরি কার্যকর করেনি। ২০১৭ সালের দিকে দেশজুড়ে বন্ধ স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধের উদ্যোগও শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি।

চীনের সিগারেটের প্যাকেটেও অন্যান্য দেশের মতো ভয়াবহ স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার ছবি নেই। বেশিরভাগ প্যাকেটে শুধু ছোট সতর্কবার্তার পাশাপাশি পান্ডা বা ‘স্বর্গীয় শান্তির ফটক’ এর মতো জাতীয় প্রতীক ব্যবহার করা হয়।

যদিও চীনে ধূমপায়ীর হার কিছুটা কমেছে, সরকার এখনো ২০৩০ সালের মধ্যে জাতীয় ধূমপানের হার ২৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশে নামানোর লক্ষ্য ধরে রেখেছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..