সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

টুংটাং শব্দে মুখর টাঙ্গাইলের কামারপল্লী

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২৬, | ১৫:৫৩:২২ |

আর মাত্র একদিন বাকি। দরজায় কড়া নাড়ছে কুরবানির ঈদ। এরই মধ্যে টুংটাং শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে টাঙ্গাইলের লৌহ কারিগর পল্লীগুলো। কর্ম চাঞ্চল্যতা ফিরে এসেছে কারিগরদের মাঝে।

আগুনের তাপে লোহা পুড়ে আগুন রঙা হচ্ছে। সেই লোহাকে পাল্টাপাল্টি হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে রূপ দেয়া হচ্ছে দা, বটি, ছুরি, চাপাতিসহ নানা সরঞ্জামে। দিনের শুরু থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন ১২টি উপজেলার লৌহ কারিগর কামারেরা। 

বছরের বেশিরভাগ সময় অলস কাটালেও ঈদের এই মৌসুমে দম ফেলারও সময় থাকেনা কর্মকারদের। ছুরি, চাপাতি, বটিসহ মাংস কাটার নানা সরঞ্জাম প্রস্তুত করতে ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন জন।

লোহা ও কয়লার দাম বাড়ার কারণে মজুরি একটু বেশি নেওয়ার অভিযোগও করছেন গ্রাহকেরা। 

মধুপুর উপজেলার অরণখোলা গ্রামের মো. আবু নাইম জানান, আগে যে চাপাতি ৯শ’ থেকে ১ হাজার টাকায় বানানো যেতো, বর্তমানে তা তৈরি করতে ১৪০০-১৫০০ টাকা লাগছে। মজুরিও অন্য বছরের তুলনায় একটু বেশি নিচ্ছে। 

সদর উপজেলার ভাতকুড়া গ্রামের আসাদুল বলেন, শান দেওয়া, নতুন বানানো ও মেরামত করতে অন্যান্য বছর যে টাকা লাগতো, এ বছর তার চেয়ে অনেক বেশি নিচ্ছে। আর লোহার দামও বেশি।

পার্কবাজারের অজিত কর্মকার জানান, গত ৫০ বছর ধরে এ কাজের সাথে জড়িত। দেড় টাকায় কয়লার বস্তা কিনেও কাজ করেছি। আর সেই কয়লা বর্তমানে ৮৫০ টাকা বস্তা কিনে কাজ করছি। 

সুভাষ কর্মকার জানান, আগে লোহা এবং কয়লার দাম কম ছিল, তাই কম মজুরিতে কাজ করতাম। এ বছর কয়লা ও লোহার মূল্য বৃদ্ধির কারণে আমাদের মজুরি পোসায় না, তাই আগের চেয়ে একটু বেশি নিতে হচ্ছে। প্রায় ৪৫ বছর ধরে এ পেশার সাথে জড়িত। আমার জীবনে লোহা ও কয়লার দাম এতো বাড়বে এটা চিন্তাও করিনি কখনো। তাই সবকিছুর দাম একটু বেশির কারণেই মজুরিও বাড়াতে হয়েছে। তাছাড়া সবকিছু এখন রেডিমেট হওয়াতে গ্রাহকও আগের চেয়ে কমেছে। সরকার যদি আমাদেরকে সহযোগিতা না করে তাহলে এ পেশা ছেড়ে দিয়ে অন্য পেশা বেছে নিতে হবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..