✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

চুক্তিতে ইরান যা চায় তা-ই পাচ্ছে: বিশ্লেষক

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২৪, | ১৮:২১:৪৬ |

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারক ঘিরে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এই কাঠামোর মাধ্যমে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত ও চলমান উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই প্রেক্ষাপটে ইরান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ফোয়াদ ইজাদি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমকে আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, বর্তমান খসড়া সমঝোতা অনুযায়ী ইরান কার্যত তার মূল কৌশলগত দাবিগুলোর বড় একটি অংশই অর্জন করতে যাচ্ছে।

ইজাদির মতে, ট্রাম্পের প্রস্তাবিত কাঠামোয় সবচেয়ে স্পষ্ট ও কার্যকর দিক হলো হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি। তার ভাষায়, এটি কার্যত ইরানের ওপর আরোপিত অবরোধ শিথিল করার ইঙ্গিত বহন করে।

তিনি বলেন, “ট্রাম্প তার সমঝোতায় মূলত একটিই বিষয় স্পষ্টভাবে বলেছেন- হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া। এর অর্থ দাঁড়ায়, ইরানের ওপর থাকা নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া হবে। কারণ, মার্কিন নৌ-অবরোধ বহাল থাকাকালে ইরান নিজে থেকে প্রণালী খুলবে না।”

ইজাদি আরও উল্লেখ করেন, এর আগে ট্রাম্প ইরানের তেল সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সম্ভাবনার কথা বলেছিলেন, কিন্তু সাম্প্রতিক বক্তব্যে সেই বিষয়টির কোনও উল্লেখ নেই। তার মতে, এটি আলোচনার অবস্থানে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।

তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে ট্রাম্পের বক্তব্য থেকে যে চিত্র পাওয়া যায়, তা হলো ইরান তার বহুদিনের কৌশলগত অবস্থান থেকে সুবিধা পাচ্ছে।

ইজাদি আরও দাবি করেন, ইরান কখনওই এই যুদ্ধ শুরু করতে চায়নি এবং হরমুজ প্রণালী বা নিজস্ব বন্দরের ওপর অবরোধ আরোপের পক্ষেও ছিল না। তাই অবরোধ প্রত্যাহার হলে সেটি ইরানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অর্জন হবে।

তিনি আরও বলেন, “ইরান তার দেশের প্রাপ্য অর্থের একটি অংশ ফেরত পাচ্ছে এবং লেবাননে যুদ্ধবিরতির বিষয়টিও এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি ইরানের জন্য ইতিবাচকই বলা যায়।”

বিশ্লেষক মহলে অবশ্য এই মন্তব্য ঘিরে ভিন্নমতও রয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, চূড়ান্ত সমঝোতা এখনও অনিশ্চিত এবং আঞ্চলিক শক্তিগুলোর অবস্থান পরিবর্তন হলে পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যেতে পারে।

তবে ইজাদির মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের চলমান কূটনৈতিক সমীকরণে ইরানের অবস্থানকে তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক হিসেবে তুলে ধরছে বলে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..