✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

পল্লবীতে রামিসা হত্যাকাণ্ড: গ্রেফতার সোহেলকে আদালতে আনা হয়েছে

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২০, | ১৭:৫৮:৫২ |

রাজধানীর পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু রামিসাকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে হাজতখানা থেকে আনা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান জানিয়েছেন, সোহেলের জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আদালতে আবেদন করেছেন তিনি। এ ছাড়া এই ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়েছে।

আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই আবেদন করার কথা জানিয়েছেন এসআই অহিদুজ্জামান।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেলা সোয়া তিনটার দিকে সোহেলকে আদালতে তোলা হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত কয়েকজন ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে হাজির করা হয়।

পুলিশ জানায়, নিহত শিশুটি রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত সোমবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর তাকে কৌশলে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান অভিযুক্ত স্বপ্না আক্তার।

পরিবারের সদস্যরা সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটিকে খুঁজতে শুরু করলে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে তার জুতা দেখতে পান। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে স্বজন ও প্রতিবেশীরা শিশুটির মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করেন। অন্য একটি কক্ষে বালতির মধ্যে পাওয়া যায় তার বিচ্ছিন্ন মাথা।

পুলিশের আবেদনে বলা হয়, মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশুটির মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয় এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত করা হয়। মরদেহটি পরে বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়।

ঘটনার পর জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান সোহেল। পরে ফতুল্লা থানার সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের আবেদনে বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..