✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তিকে পুড়িয়ে হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-১৯, | ২১:০০:২০ |

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

মঙ্গলবার (১৯ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-১১ সিপিসি-২-এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক সিনিয়র এএসপি মিঠুন কুমার কুন্ডু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মাদক ব্যবসার ভাগ–বাটোয়ারা নিয়ে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি এনামুল হক শিশির ওরফে মাহিকে পেট্রল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার প্রধান আসামি ছিলেন তৃতীয় লিঙ্গের জহির ইসলাম ওরফে আপন ওরফে জহির। গ্রেপ্তার জহির কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রামপুর এলাকার জাফর আলীর ছেলে।

সংবাদ সম্মেলনে মিঠুন কুমার কুন্ডু জানান, সোমবার (১৮ মে) রাতে সাতক্ষীরা জেলার ভোমরা এলাকা থেকে র‍্যাব-৬-এর সহযোগিতায় জহিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরেই মাহিকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এ ঘটনায় দোলা নামে আরও একজন তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত এনামুল হক শিশির ওরফে মাহী বুড়িচং উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ণমতি গ্রামের কামরুল হক ফরহাদের সন্তান। গত ১৩ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বুড়িচং পৌরসভার মধ্যবাজার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে এ নৃশংস ঘটনা ঘটে।

মামলার বরাতে বুড়িচং থানার ওসি লুৎফর রহমান জানান, বুড়িচং সদর ইউনিয়নের সরকারি একটি জায়গায় কয়েকজন তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছিলেন। সেখানে এনামুল হক শিশির ‘মাহী’ পরিচয়ে তাদের সঙ্গে বসবাস করতেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও অন্তর্কোন্দল চলছিল।

ঘটনার দিন সকালে মাহির সঙ্গে কয়েকজনের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তার শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হলে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা কামরুল হক ফরহাদ বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৭–৮ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..