সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

ভবিষ্যৎ ভূমিকম্প পূর্বাভাসে নতুন আশার খবর বিজ্ঞানীদের

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-১৯, | ১৪:২৬:০৯ |

সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে থাকা বিশেষ কিছু অঞ্চল ভূমিকম্পের বিস্তার থামিয়ে দিতে পারে। এমনটাই উঠে এসেছে নতুন এক গবেষণায়। বিজ্ঞানীরা এসব এলাকাকে ‘ব্রেক জোন’ নামে অভিহিত করেছেন যা প্রাকৃতিক বাধার মতো কাজ করে ভূকম্পনের গতি থামিয়ে দেয়।

গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে ‘সায়েন্স’ সাময়িকীতে। দীর্ঘদিন ধরেই দেখা যাচ্ছিল, কিছু ভূমিকম্প নির্দিষ্ট জায়গায় এসে থেমে যায়। কিন্তু কেন এমন ঘটে, সেই রহস্য এতদিন অজানা ছিল। গবেষণার প্রধান লেখক, ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক জিয়ানহুয়া গং বলেন, বিজ্ঞানীরা আগে থেকেই এই ধরনের বাধা সম্পর্কে জানতেন, কিন্তু এর গঠন ও কার্যপ্রণালী স্পষ্ট ছিল না।

গবেষকরা প্রশান্ত মহাসাগরের গফার ফল্ট নিয়ে বিশ্লেষণ করেন। ইকুয়েডর থেকে প্রায় এক হাজার মাইল দূরে অবস্থিত এই সমুদ্রতল ফাটল এলাকায় গত ৩০ বছরে নিয়মিত ভূমিকম্প ঘটেছে। প্রতি পাঁচ থেকে ছয় বছর পরপর প্রায় ৬ মাত্রার ভূমিকম্প একই স্থানে সংঘটিত হয়েছে।

২০০৮ এবং ২০১৯ থেকে ২০২২ সালের দুটি বড় সমুদ্রতল গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, বড় ভূমিকম্পের আগে এসব ব্রেক জোনে প্রচুর ছোট ছোট কম্পন বা ট্রেমর হয়। কিন্তু বড় ভূমিকম্পের পর অঞ্চলটি দ্রুত শান্ত হয়ে যায়।

তারা জানান, এই অঞ্চলগুলো শক্ত পাথরের দেয়াল নয়। বরং অনেক শাখা-প্রশাখা ও ফাঁকবিশিষ্ট জটিল গঠন, যেখানে সমুদ্রের পানি জমা থাকে। বড় ভূমিকম্পের সময় ছিদ্রময় পাথর শক্ত হয়ে গিয়ে কম্পনের অগ্রগতি আটকে দেয়।

গবেষকদের মতে, এই ধরনের ব্রেক জোন পৃথিবীর বিভিন্ন মহাসাগরে থাকতে পারে। এগুলো ভালোভাবে বোঝা গেলে ভূমিকম্প কোথায় এবং কখন ঘটতে পারে, সে বিষয়ে পূর্বাভাস আরও নির্ভুল করা সম্ভব। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের হেওয়ার্ড ফল্টের মতো কিছু বড় ফল্ট লাইনে বড় ভূমিকম্পের ঝুঁকি থাকায় এই গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..