সর্বশেষ :
স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দেশের প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ডলফিনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড চীন, সরানো হলো ১০ লাখের ‍অধিক মানুষ ইরান ইস্যুতে কার্টারের মতোই ফাঁদে পড়েছেন ট্রাম্প! আইসিসির ‘প্লেয়ার অফ দ্য মান্থ’ পুরস্কারের তালিকায় তানজিদ হরমুজ খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা, বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলা কিউআর কোডে লেনদেন হবে ফ্রি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি : রিজভী আইসিসির সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় ম্যাথিউস-হারশিতা ও সিভার রদ্রিকে দলে ভেড়াতে মরিয়া বার্সেলোনা, অনিশ্চিত ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ এশিয়ার তেলের বাজারের ‘ইরান-ধাক্কা’ একাই সামলে দিচ্ছে চীন

সিডনিতে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার পর পুলিশে খবর দিলেন বাংলাদেশি

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-১৯, | ১৩:৩১:২৯ |

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার অভিযোগে ৪৭ বছর বয়সী এক প্রবাসী বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশ। নিহত শিশুদের বয়স ছিল ১২ ও ৫ বছর।

সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেই জরুরি নম্বরে ফোন করে ঘটনার কথা জানান। পরে পুলিশ ক্যাম্পবেল টাউন এলাকার একটি বাসায় গিয়ে তার ৪৬ বছর বয়সী স্ত্রী ও দুই শিশুপুত্রের মরদেহ উদ্ধার করে।

ভুক্তভোগী শিশুদের সুরক্ষার স্বার্থে আইনি কারণে অভিযুক্ত ও নিহতদের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

নিউ সাউথ ওয়েলস পুলিশের অ্যাক্টিং সুপারিনটেনডেন্ট মাইকেল মরোনি বলেন, ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ ও সহিংস।

নিহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে ঘটনাস্থল থেকে কোনো আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়নি।

জানা গেছে, প্রায় এক দশক আগে পরিবারটি বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমায়। পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি বাসায় থেকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন দুই সন্তানের দেখাশোনা করতেন। অন্যদিকে তার স্ত্রী চাকরি করে সংসারের ব্যয় বহন করতেন।

গ্রেফতারের পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতাজনিত তিনটি হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। মঙ্গলবার ক্যাম্পবেল টাউন আদালতে তাকে হাজির করা হয়। আদালতে তার পক্ষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন আইনজীবী জাওয়াদ হোসাইন।

পুলিশ জানিয়েছে, এর আগে পরিবারটির বিরুদ্ধে কোনো ধরনের পারিবারিক সহিংসতা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এমনকি সমাজকল্যাণ বা শিশু সুরক্ষা সংস্থার সঙ্গেও তাদের কোনো পূর্ব যোগাযোগ ছিল না।

ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পবেল টাউন এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ ঘটনায় নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রিমিয়ার ক্রিস মিনস (Chris Minns) বলেন, এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো সমাজের মতো তিনিও গভীরভাবে ব্যথিত। একই সঙ্গে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগ আরও জোরদার করার ইঙ্গিত দেন তিনি।

সূত্র: সিডনি মর্নিং হেরাল্ড

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..